খাসি পাহাড়
খাসি পাহাড়শ্রেণী /ˈkɑːsi/ হচ্ছে ভারতের রাজ্য মেঘালয়ের (১৯৭০ সালের পূর্বে আসামের অংশ ছিল) গারো-খাসি পাহাড়শ্রেণীর একটা অংশ, এবং পাটকাই শ্রেণী ও মেঘালয় উপক্রান্তীয় বনাঞ্চলের অংশবিশেষ। বিশেষত পুরনো নথিপত্রে, বিকল্প হিসেবে খাসিয়া পাহাড় প্রতিবর্ণীকরণ হতে দেখা যায়।[1]
এই অঞ্চলে প্রধানত খাসি উপজাতির বাসিন্দারা বসবাস করে, যারা ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন সর্দারের অধীনে, খাসি পাহাড় প্রদেশ হিসেবে পরিচিত রাজ্যে অবস্থান করে। এর একটা রাজধানী, চেরাপুঞ্জিকে পৃথিবীর সবথেকে ভেজা স্থান হিসেবে মনে করা হয়।[2]
এই অঞ্চলটি খাসি পাহাড় জেলার অধীনে আসে, যা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে ১৯৭৬ সালের ২৮ অক্টোবর পশ্চিম খাসি পাহাড় জেলা এবং পূর্ব খাসি পাহাড় জেলা গঠন করে।[3]
লুম শাইলং হচ্ছে সর্বোচ্চ চূড়া যা ১,৯৬৮ মিটার (৬,৪৫৭ ফু) উঁচু।[4] এটা শিলং শহর থেকে দক্ষিণ দিকে কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।[5]
প্রশাসন
প্রশাসনিকভাবে, খাসি পাহাড়শ্রেণীকে খাসি পাহাড় জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।[6] এই জেলাকে পূর্ব খাসি পাহাড় জেলা[7] এবং পশ্চিম খাসি পাহাড় জেলায় বিভক্ত করা হয় ২৮ অক্টোবর, ১৯৭৬ সালে। ৪ জুন ১৯৯২ সালে, রী ভোঈ জেলাকে পূর্ব খাসি পাহাড় জেলা থেকে পৃথক করা হয়।
নদনদী
খাসি পাহাড় এলাকায় যেসব নদী আছে সেগুলো হচ্ছে জালুখালি নদী, খাসিয়ামারা নদী, যাদুকাটা নদী, উমিয়াম নদী, আশাউড়া নদী প্রভৃতি।
আরো দেখুন
তথ্যসূত্র
- Sarkar, A.B. Chaudhuri & D.D. (২০০৩)। Megadiversity conservation : flora, fauna, and medicinal plants of India's hot spots। Delhi: Daya Publishing House। আইএসবিএন 8170353017।
- Bhaumik, Subir (২০০৩-০৪-২৮)। "World's wettest area dries up" (stm)। South Asia News। Calcutta: BBC। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-০২-২১।
- Bhattacharjya, Umasaday (১৯৮০)। Local government in Khasi Hills। Vivek, 1980। পৃষ্ঠা 263।
- Karlsson, Bengt G. (২০১০)। Unruly hills : a political ecology of India's northeast। New York: Berghahn Books। আইএসবিএন 0857451049।
- Riggins, ed. by Stephen Harold (১৯৯০)। Beyond Goffman : studies on communication, institution, and social interaction। Berlin [u.a.]: Mouton de Gruyter। আইএসবিএন 3110122081।
- Shangpliang, Rekha M. (২০১০)। Forest in the life of the Khasis। New Delhi: Concept Pub. Co.। আইএসবিএন 8180696677।
- "East Khasi hills"। Government of India। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৫, ২০১২।
আরো পড়ুন
- Yule, Henry (১৮৪৪)। "Notes on the Khasia Hills, and people"। Journal of the Asiatic Society of Bengal। 14 Part 2, Jul-Dec (152): 612–631।