আঁকন

আঁকন[1](বৈজ্ঞানিক নাম: Cethosia biblis (Drury)) যার ডানা দুটি খাঁজকাটা এবং কমলাটে লাল বর্ণের। ডানায় সার বাঁধা V আকৃতির পটি দেখা যায়।[2] এরা নিমফ্যালিডি পরিবার এবং হেলিকোনায়িনি উপগোত্রের সদস্য।

Red Lacewing
আঁকন
ডানা বন্ধ অবস্থায়
ডানা খোলা অবস্থায়
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Arthropoda
শ্রেণী: Insecta
বর্গ: Lepidoptera
পরিবার: Nymphalidae
গণ: Cethosia
প্রজাতি: C. biblis
দ্বিপদী নাম
Cethosia biblis
(Drury, 1773)

আকার

আঁকন এর প্রসারিত অবস্থায় ডানার আকার ৬৫-৯০মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের হয়।[1]

উপপ্রজাতি

ভারতে প্রাপ্ত আঁকন এর উপপ্রজাতিসমূহ হল-[3]

  • Cethosia biblis tisamena Fruhstorfer, 1912 – Himalayan Red Lacewing
  • Cethosia biblis andamanica Stichel, 1902 – Andaman Red Lacewing
  • Cethosia biblis nicobarica Felder, 1862 – Nicobar Red Lacewing

বিস্তার

এদের ভারতএ সিকিম থেকে অরুণাচল প্রদেশ[4] পর্যন্ত এদের দেখা যায়। এছাড়া নেপাল, ভূটান, বাংলাদেশ এবং মায়ানমার এও আঁকনদের বিস্তার। [2] সাধারনত নীচু পাহাড়ি অঞ্চলে এদের দেখা যায়। তবে ৭০০০ফুট উচ্চতায় সাধারনত ফেব্রুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এদের দেখা মেলে।[5]

পশ্চিমবঙ্গে উপস্থিতি

কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলউত্তরবঙ্গ এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চল
দুর্লভসাধারণত দেখা মেলে

বর্ণনা

আচরণ

আঁকনরা রৌদ্র পছন্দ করে। প্রায়শই এদের মাটির কাছাকাছি গাছের পাতায় ডানা মেলে বসে থাকে। ফুলের প্রতি এদের আসক্তি আছে।[1] এছাড়া মাটিতে পড়ে থাকা পচা ফলের রস পান করতে দেখা যায়।[2]

বৈশিষ্ট্য

ডিম

এরা একসাথে অনেকগুলি করে ডিম পাড়ে।[5]

শূককীট

শূককীট সরু এবং লম্বা হয়। সারা দেহে কাঁটা দেখা যায়। প্রতিটি দেহখন্ড কালো রেখা দিয়ে আলাদা করা থাকে। পরপর দুটি কালো দেহখন্ডের মাঝে সাদা-গোলাপি রঙের পটি দেখা যায়। বেশির ভাগ কাঁটা এই সাদা-গোলাপি পটি থেকে বেরোয় এবং পিঠের পাঁশ ঘেঁষে যে কাঁটা গুলি রয়েছে তারা দৈর্ঘ্যে বড়। এদের শ্বাস ছিদ্রগুলো কালো বর্ণের এবং এগুলোকে ঘিরে সাদা বৃত্ত দেখা যায়। মাথা কালো বর্ণের এবং মাথার সামনেও দুটি শিং দেখা যায়।[2]

আহার্য উদ্ভিদ

এই শূককীট Passiflora গোত্রের কিছু উদ্ভিদ যেমন-Passiflora cochinchinensis, Passiflora moluccana,(ঝুমকোলতা)Passiflora foetida[1] গাছের পাতার রসালো অংশ আহার করে।

মূককীট

মূককীট গাঢ় সোনালি-বাদামী বর্ণের এবং তার উপর জলপাই-খয়েরি রঙ এর ছোপ দেখা যায়। এর শরীরে একাধিক কাঁটা দেখা যায়।[2]

জীবনচক্রের চিত্রশালা

চিত্রশালা

তথ্যসূত্র

  1. A Pictorial Guide Butterflies of Gorumara National Park (2013 সংস্করণ)। Department of Forests Government of West Bengal। পৃষ্ঠা ২০৬।
  2. Dāśagupta, Yudhājit̲̲̲̲̲̲a (২০০৬)। Paścimabaṅgera prajāpati (1. saṃskaraṇa. সংস্করণ)। Kalakātā: Ānanda। পৃষ্ঠা 107–108। আইএসবিএন 81-7756-558-3।
  3. "Cethosia biblis Drury, 1770 – Red Lacewing "। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৬ line feed character in |শিরোনাম= at position 45 (সাহায্য)
  4. Bhuyan et al,, M.। "BUTTERFLIES OF THE REGIONAL RESEARCH LABORATORY CAMPUS,JORHAT, ASSAM" (PDF)ZOOS' PRINT JOURNAL। পৃষ্ঠা 1910-1911। আইএসএসএন 0971-6378। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ line feed character in |শিরোনাম= at position 30 (সাহায্য)
  5. Isaac, Kehimkar (২০০৮)। The book of Indian Butterflies (1st সংস্করণ)। New Delhi: Oxford University Press। পৃষ্ঠা 356। আইএসবিএন 978 019569620 2।

বহিঃসংযোগ

This article is issued from Wikipedia. The text is licensed under Creative Commons - Attribution - Sharealike. Additional terms may apply for the media files.