শন মাইকেলস
মাইকেল শন হিকেনবটম (ইংরেজি: Michael Shawn Hickenbottom; জন্ম ২২ জুলাই ১৯৬৫) হলেন একজন অর্ধ অবসরপ্রাপ্ত আমেরিকান কুস্তিগির। তিনি তার রিং নেম শন মাইকেলস নামে অধিক পরিচিত।
শন মাইকেলস | |
---|---|
![]() ২০০৮ সালে মাইকেলস | |
জন্ম | মাইকেল শন হিকেনবটম ২২ জুলাই ১৯৬৫ চ্যান্ডলার, অ্যারিজোনা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র |
বার্ষিক সম্পত্তি | $১৭ মিলিয়ন |
উচ্চতা | ৬ ফুট ১ ইঞ্চি (১.৮৫ মিটার)[1] |
দাম্পত্য সঙ্গী | থেরাস উড (বি. ১৯৮৮; বিচ্ছেদ. ১৯৯৪) রেবেকা কুর্সি (বি. ১৯৯৯) |
সন্তান | ২ |
পরিবার | ম্যাট বেন্টলি (cousin) |
পেশাদারি কুস্তি ক্যারিয়ার | |
---|---|
রিংয়ে নাম |
|
কথিত প্রশিক্ষণকেন্দ্র | সান অ্যান্টোনিও, টেক্সাস |
প্রশিক্ষক | হোসে লোথারিও |
অভিষেক | ১০ অক্টোবর ১৯৮৪ |
অবসর | ২৮ মার্চ ২০১০ |
তিনি বর্তমানে র ব্র্যান্ডে যুক্ত রয়েছেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি ডাব্লিউডাব্লিউই পারফর্মেন্স সেন্টার এর একজন ট্রেইনার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছে। তিনি ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ডাব্লিউডাব্লিউএফ এ কুস্তি করেন। কিন্তু ১৯৯৮ সালে ইঞ্জুরিতে পড়লে অবসর নেন। ১৯৯৮ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত তিনি ডাব্লিউডাব্লিউএফ এর অনস্ক্রিন কমিশনারের ভূমিকা পালন করেন। ২০০২ সাল থেকে তিনি আবার কুস্তি করা শুরু করেন। ২০১০ সালে তিনি আন্ডারটেকারের কাছে হেরে অবসর নেন।[2] ডাব্লিউডাব্লিউই সুপার শো-ডাউন এর পরের "র" তে অক্টোবর ৬,২০১৮ এর এপিসোডে মাইকেলস ট্রিপল এইচ এর সাথে ডিএক্স আবার পূর্ণগঠন করে। এবং বলে ক্রাউন জুয়েল এ ব্রাদার্স অফ ড্রিসট্রাংকশন (দ্য আন্ডারটেকার এবং কেইন) এর সাথে ম্যাচ খেলবে।
তিনি ডাব্লিউডাব্লিউএফ/ই তে পাচঁবার রেসেলম্যানিয়ার মেইন ইভেন্ট করেছেন। তাই তাকে মি রেসেলম্যানিয়া বলা হয়। তিনবার ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড হেবিওয়েট চ্যাম্পিয়ন তিনবার ওয়ার্ল্ড হেবিওয়েট চ্যাম্পিয়ন তিনবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশীপ একবার ডাব্লিউডাব্লিউই ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশীপ তিনবার ডাব্লিউডাব্লিউএফ/ই ওয়ার্ল্ড ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়ন প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন এবং চতুর্থ ট্রিপল ক্রাউন চ্যাম্পিয়ন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৫, ১৯৯৬ এর রয়্যাল রাম্বাল বিজেতা। তিনি ১৫ বার স্ল্যামি অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন।
প্রাথমিক জীবন
হিকেনবটম ১৯৬৫ সালের ২২ জুলাই আরিজনায় জন্মগ্রহণ করে। তিনি তার চার ভাই বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট। সে ব্রেকশির ইংল্যান্ডএর একটি মিলিটারি পরিবারের মধ্যে বড় হয়। যখন সে ছোট ছিল তার মাইকেল নামটি অপছন্দ ছিল। তাই তার বন্ধু এবং পরিবারের লোকজন তাকে শন বলে ডাকতেন। তার বয়স যখন ১২ বছর তখন তার রেসলার হওয়ার ইচ্ছে হয়। গ্র্যাজুয়েট হওয়ার পর সে সাউথওয়েস্ট টেক্সাস স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়। কিন্তু তখন সে বুঝতে পারে কলেজের জীবন তার জন্য না।
ন্যাশনাল রেসলিং অ্যালায়েন্স (১৯৮৪-১৯৮৫)
হিকেনবটম হোসে লোথারিওর অধীনে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করে। তখন সে শন মাইকেলস নামটি গ্রহণ করে। প্রশিক্ষন নেওয়ার পর সে শন মাইকেলস নামে ১৯৮৪ সালের অক্টোবর ১৬ তারিখে মিড সাউথ রেসলিং এ অভিষেক করেন। এটি মূলত ন্যাশনাল রেসলিং অ্যালায়েন্স এর উন্নয়ন শাখা। ১৯৮৫ সালের জানুয়ারিতে সে ডালাস, টেক্সাসের ওয়ার্ল্ড ক্লাস চ্যাম্পিয়নশীপ রেসলিং এ অভিষেক ঘটান। এটিও ছিল ন্যাশনাল রেসলিং অ্যালায়েন্স এর উন্নয়ন শাখা। এপ্রিল ১৯৮৫ সালে সেন্ট্রাল স্টেট রেসলিং এ তিনি অভিষেক করেন। তখন তিনি মার্টি জেনেথির সাথে টিমআপ করেন।
টেক্সাস অল স্টার রেসলিং (১৯৮৫-১৯৮৬)
শন টেক্সাসে ফিরে গেলে সে টেক্সাস অল স্টার রেসলিং এ রেসলিং করা শুরু করে।
আমেরিকান রেসলিং অ্যাসোসিয়েশন (১৯৮৬-১৯৮৭)
মাত্র ২০ বছর বয়সে শন জাতীয় পর্যায়ে রেসলিং করা শুরু করে। তখন তার রিং নেম ছিল Sean Michael। এরপর সে আবার মার্টি জেনেথির সাথে টিমআপ করে গঠন করে দ্য মিডনাইট রকার্স। এবং তারা এডাব্লিউএ ওয়ার্ল্ড ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশীপ জিতে।
ওয়ার্ল্ড রেসলিং ফেডারেশন (১৯৮৭)
দ্য মিডনাইট রকার্স ১৯৮৭ সালে ডাব্লিউডাব্লিউএফ এর সাথে কন্ট্রাক্ট সাইন করে। কিন্তু দুই সপ্তাহ পরেই তাদেরকে ডাব্লিউডাব্লিউএফ থেকে বের করে দেওয়া হয়। কারন হিসেবে বলা হয় একটি বার দূর্ঘটনা (শন মাইকেলস তার অটোবায়োগ্রাফিতে এটিকে ভুল বোঝাবুঝি বলেছেন)।
আমেরিকান রেসলিং অ্যাসোসিয়েশনে ২য় বার ফিরে আসা (১৯৮৮)
WWF থেকে বের হওয়ার পর তারা আবার AWA তে ফিরে যায় এবং তাদের দ্বিতীয় ট্যাগ টিম টাইটেল জিতে।
বিশ্ব রেসলিং ফেডারেশনে ফিরে আসা
দ্য রকার্স (১৯৮৮-১৯৯১)

দ্য রকার্স জুলাই ৭ ১৯৮৮ সালে ডাব্লিউডাব্লিউএফ এর লাইভ ইভেন্টে পুনরায় অভিষেক ঘটান। ডাব্লিউডাব্লিউএফ এর চেয়ারম্যান ভিন্স ম্যাকমোহান তাদের নতুন নাম দেন "দ্য রকার্স"। রকার্স বাচ্চা এবং নারীদের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। শন মাইকেলস তার প্রথম পিপিভিতে অংশ নেন ৪-অন-৪ সার্ভাইভার সিরিজ ম্যাচ এ দ্য রকার্স এর অংশ হিসেবে। ১৯৯১ সালের ডিসেম্বর ২ তারিখে "বার্বার শপ" নামের একটি টক শোতে মাইকেলস মার্টি জেনেথিকে সুপারকিক মারে এবং জানালার কাঁচে ছুড়ে মারে। ১৯৯০ এর দশকের মাঝামাঝি মাইকেলস Boy Toy গিমিকে ভিলেন হয়ে যান।
যুগল (১৯৯২-১৯৯৫)

কার্ট হেনিং এর পরামর্শ অনুযায়ী শন তার নিকনেম দি হার্ট ব্রেক কিড রাখেন। তখন "সেনসেশন শেরি" তার ম্যানেজার ছিল। শেরি শন মাইকেলসের থিম সং সেক্সি বয় এর প্রথম সংস্করণ গায়। শন টিটো সান্তানাকে রেসেলম্যানিয়া ৮ হারায়। যেটি ছিল তার প্রথম একক বিজয়। অক্টোবর ২ তারিখে শন সানডে নাইট মেইন ইভেন্ট এ ব্রিটিশ বুলডগ কে হারিয়ে ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়ন হয়। ১৯৯৩ সালে মে ১৭ তারিখে শন মার্টি জেনেথির কাছে তার টাইটেলটি হারায়। জুন ৬ তারিখে শন আবার তার টাইটেল পুনুরূদ্ধার করে তার অনস্ক্রিন বডিগার্ড ডিজেল এর সহায়তায়। সেপ্টেম্বর ১৯৯৩ সালে শনকে ডাব্লিউডাব্লিউএফ থেকে বহিস্কার করা হয়। কারন তার স্টেরয়েড টেস্ট পজিটিভ হয়। কিন্তু সে কখনো এটি গ্রহণ করে নি। কিন্তু ডাব্লিউডাব্লিউএফ এটিকে বর্ননা করে সে তার টাইটেল ডিফেন্স করছে না তাই তাকে বের করে দেওয়া হয়। শন সারভাইভার সিরিজে ফিরে আসে। শন রেসেলম্যানিয়া ১০ এ রেজর রেমন এর সাথে একটি ল্যাডার ম্যাচ খেলে ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশীপ এর জন্য। কিন্তু হেরে যায়। এই ম্যাচটি ওই বছর পিডাব্লিউআই এর ম্যাচ অব দ্য ইয়ার হয়। এবং রেসলিং বিশেষজ্ঞ ডেভ মেল্টজার এটিকে ৫★ রেটিং দেয়। আগস্ট ২৮ এ শন এবং ডিজেল ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশীপ জিতে। ডিজেল রেজর রেমন এর কাছে তার ইন্টারকন্টিনেন্টাল টাইটেল হারায় যখন শন তাকে ভুলবশত একটি সুপারকিক মারে। শন মাইকেল ১৯৯৫ রয়্যাল রাম্বাল জিতে এবং চ্যাম্পিয়নশীপ ম্যাচের জন্য ডিজেলকে চ্যালেঞ্জ করে। রেসেলম্যানিয়া ১১ তে ডিজেল শন মাইকেলকে হারায়।
ক্লীক গঠন (১৯৯৫-১৯৯৬)
মাইকেল ১৯৯৫ সালের মে মাসে ফিরে আসে। ৩ জুলাই ইন ইউর হাউস ২: দ্য লাম্বারজ্যাক এ জেফ জ্যারাটকে হারিয়ে তিনি ৩য় বারের মতো ইন্টারকন্টিনেন্টাল চ্যাম্পিয়নশীপ টাইটেল জিতেন। সামারস্ল্যাম পিপিভিতে শন তার টাইটেলটি রেজর রেমন এর সাথে একটি ল্যাডার ম্যচে ডিফেন্স করে। যেটিতে সে জিতে যায়। এই সময়ে সে ব্যাকস্টেজ গ্রুপ দ্য ক্লীক এর লিডার হয়।
ডব্লিউডব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন (১৯৯৬-১৯৯৮)
.jpg)
শন ১৯৯৬ রয়্যাল রাম্বালে রিটার্ন করেন। এবং ম্যাচটি জিতেন। এই সময়ে হোসে লোথারিও মাইকেলস এর ম্যানেজার হন। রেসেলম্যানিয়া ১২ তে মাইকেলস ব্রেট হার্টকে একটি ৬০ মিনিটের আয়রন ম্যান ম্যাচে হারায়। এই ম্যাচটি প্রথমে ফলাফল শুন্য হয়। পরে আবার খেলা শুরু হলে মাইকেলস সুপারকিক মেরে জিতে যান। এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড হেবিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হন। মাইকেলস তার টাইটেলটি সার্ভাইভার সিরিজে সাইকো সিড এর কাছে হারান। তিনি ১৯৯৭ রয়্যাল রাম্বাল এ টাইটেলটি সাইকো সিডের কাছ থেকে পুনুরূদ্ধার করেন। মাইকেলস হাঁটুর ইঞ্জুরিতে ভুগেন। এবং চলে যান। এর কয়েক মাস পর তিনি ফিরে আসেন এবং স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন এর সাথে টিমআপ করে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ট্যাগ টিম চ্যাম্পিয়নশীপ জিতেন। মাইকেলস ব্রিটিশ বুলডগকে হারিয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হন। তখন ফ্যানদের থেকে তিনি প্রচুর বু পান। এর সাথে তিনি হয়ে যান প্রথম গ্র্যান্ডস্ল্যাম চ্যাম্পিয়ন। ইন ইউর হাউস: ব্যাড ব্লাড এ তিনি দ্য আন্ডারটেকার এর মুখোমুখি হন সর্বপ্রথম হেল-ইন-অ্যা-সেল ম্যাচ এ। এই ম্যাচে তিনি কেইন (অভিষেক) এর সহায়তায় আন্ডারটেকারকে হারান। এবং ডাব্লিউডাব্লিউএফ হেবিওয়েট চ্যাম্পিয়নশীপ এর জন্য নাম্বার ওয়ান কন্টেনডার নির্বাচিত হন। এই ম্যাচটিকে রেসলিং বিশেষজ্ঞ ডেভ মেল্টজার থেকে ৫★ রেটিং দেয়। এই সময়ে মাইকেলস তার বন্ধু হান্টার হার্স্ট হেমসলি (ট্রিপল এইচ), চায়না (হান্টারের বাস্তব জীবনের বান্ধবী), ও রিক রুডের সাথে মিলে গঠন করেন স্টেবল ডি-জেনারেশন এক্স (DX). নভেম্বর ১৯৯৭ সার্ভাইভার সিরিজে মাইকেলস ব্রেট হার্টকে হারিয়ে ডাব্লিউডাব্লিউএফ ওয়ার্ল্ড হেবিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হয়। এই ম্যাচটি মন্ট্রিয়ল স্ক্রিউজব এর জন্য বিখ্যাত। মাইকেলস তখন ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ এবং হেবিওয়েট চ্যাম্পিয়নশীপ একইসাথে তার সঙ্গে রাখেন। মাইকেলস তার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশীপ টি হান্টার হার্স্ট হেমসলির কাছে হারান।
প্রথম অবসর ও ডব্লিউডব্লিউএফ কমিশনার (১৯৯৮-২০০০)

১৯৯৮ রয়্যাল রাম্বাল এ মাইকেলস আন্ডারটেকার এর সাথে একটি কাসকেট ম্যাচ খেলে। এবং ম্যাচটি জিতে। কিন্তু এই ম্যাচে back body drop মুভটি দিতে গেলে সে ইঞ্জুরিতে পড়ে। রেসেলম্যানিয়া ১৪ তে স্টোন কোল্ড স্টিভ অস্টিন এর কাছে হারার পর মাইকেলসকে রিটায়ার্ড নিতে বাধ্য করা হয়। এর চার মাস পর মাইকেলস অতিথি ধারাভাষ্যকার হিসেবে র ইস ওয়ার এর এপিসোডে ফিরে আসে। নভেম্বর ৩০ তারিখে মাইকেলসকে ডাব্লিউডাব্লিউএফ এর কমিশনার বানানো হয়। এরপর সে ভিন্স ম্যাকমোহান এর দ্য কর্পারেশন এ ভিলেন রূপে যোগদান করে। জানুয়ারি ৪ তারিখে মাইকেলস আবার ডিএক্স এ যোগদান করে।
হিয়াটাস (২০০০-২০০২)
মাইকেলস যখন মনে করেন তার রেসলিং ক্যারিয়ার শেষ তখন তিনি তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া শুরু করে যারা পেশাদার কুস্তিগীর হতে চায়। [3] তাই ১৯৯৯ সালে তিনি শন মাইকেলস রেসলিং একাডেমী নামে একটি প্রশিক্ষণাগার খুলেন। ২০০২ সালে তিনি সেটি ত্যাগ করেন। এবং এটির দায়িত্ব আরেকজন কে দেন।
ট্রিপল এইচ এর সাথে ফিউড (২০০২-২০০৪)
র এর একটি এপিসোডে শন প্রায় ১৮ মাস পরে ফিরে আসে এবং এনডাব্লিউও তে যোগদান করার ঘোষণা দেয়। তিনি প্রথম রেসলার যে এনডাব্লিউও এর সদস্য কিন্তু কখনো ডাব্লিউসিডাব্লিউ তে রেসলিং করেন নি।
পেশাদারি কুস্তিতে
তাকে সর্বকালের সেরা ইন রিং ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়। তার ফিনিশার হিসেবে সে "সুপারকিক" ব্যবহার করে। যেটি তার মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সে এটিকে "Sweet Chin Music" বলে। এছাড়াও অবসর নেয়ার ৮ বছর পর ফিরে এসেও তার ইন রিং প্রদর্শন বিশ্লেষকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
কুস্তিতে
তথ্যসূত্র
বহিঃসংযোগ
![]() |
উইকিমিডিয়া কমন্সে শন মাইকেলস সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে। |