মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন
মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন বাংলাদেশের গাইবান্ধা জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা।[2]
মহিমাগঞ্জ | |
---|---|
ইউনিয়ন | |
![]() ![]() মহিমাগঞ্জ | |
স্থানাঙ্ক: ২৫°৬′৩১″ উত্তর ৮৯°২৯′৩২″ পূর্ব ![]() | |
দেশ | ![]() |
বিভাগ | রংপুর বিভাগ |
জেলা | গাইবান্ধা জেলা |
উপজেলা | গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা ![]() |
সরকার | |
• চেয়ারম্যান | মোঃ রুবেল আমিন শিমুল |
আয়তন | |
• মোট | ২৩.৯৩ কিমি২ (৯.২৪ বর্গমাইল) |
জনসংখ্যা (২০১১)[1] | |
• মোট | ৩৯,২৩০ |
সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
পোস্ট কোড | ৫৭৪১ ![]() |
ওয়েবসাইট | প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ![]() |
অবস্থান ও আয়তন
মহিমাগঞ্জ রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অন্তর্গত। এটি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অন্যতম একটি ইউনিয়ন। এটি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা হতে ১২ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত। মহিমাগঞ্জের উত্তর-পূর্বে সাঘাটা উপজেলা ও বাঙ্গালী নদী দিয়ে বেষ্টিত এবং দক্ষিণে সোনাতলা উপজেলা। এর আয়তন ২৩.৯৩ বর্গ কিলোমিটার।
ইতিহাস
কালের সাক্ষী বহণকারী বাঙ্গালী নদীর তীরে গড়ে ওঠা এক ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো মহিমাগঞ্জ। অতীতে মহিমাগঞ্জ ছিলো একটি সুপ্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র; এখানে প্রায় ১০/১৫টি পাট গোডাউন ছিল, ফলে দূর-দূরান্তের চাষীরা মহিমাগঞ্জে পাট বিক্রি করতেন। ঊনবিংশ শতাব্দির আশির দশক পর্যন্ত মহিমাগঞ্জ রেল স্টেশন থেকে দেওয়ানতলা পর্যন্ত একটা পরিত্যাক্ত রেল লাইন দেখা গেছে। দেওয়ানতলা বাঙ্গালী নদীর তীরবর্তী মারোয়াড়ীদের বিশাল পাট গোডাউন ও অন্যান্য ব্যবসা কেন্দ্র ছিল। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নদী পথে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও চাষীরা পাট, ধান, গম ইত্যাদি ফসল মারোয়াড়ীদের নিকট বিক্রয় করতেন এবং মারোয়াড়ী ব্যবসায়ী সেই সকল পণ্য বৃহৎ আকারে দেশের বিভিন্ন বড় বড় শহরে রেল যোগে চালান দিতেন।
- নামকরণ
মহিমাগঞ্জের প্রাচীন নাম ছিল 'খড়িয়া বাঁধা'। লালমনিরহাট জেলার কাকিনা রাজার পরগনার আওতায় ছিল এই মহিমাগঞ্জ। রাজা মহিমা রঞ্জন রায় নিজের নামানুসারে খড়িয়াবাঁধার নাম পরিবর্তন করে নাম রাখেন 'মহিমাগঞ্জ'।
প্রশাসনিক এলাকা
এ ইউনিয়নে মৌজা সংখ্যা ১১টি ও গ্রাম সংখ্যা ১২টি।[3] গ্রামগুলো হলোঃ
১,পুনতাইড় (*,ফকিড় পাড়া
- আমবাড়ী
- গাড়ামারা
- সানাপাড়া
- কানিপাড়া
- শিংজানী)২,জগদীশপুর ৩, শ্রীপতিপুর
৪, বালুয়া, ৫, ছয়ঘড়িয়া, ৬, বোচাদহ, ৭, বামন হাজরা, ৮, পান্তামারী, ৯, জিরাই, ১০, জীবনপুর, ১১, গোপালপুর এবং ১২, কুমিড়াডাঙ্গা।
জনসংখ্যার উপাত্ত
২০১১ সালের আদমশুমারী অনুসারে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের জনসংখ্যা প্রায় ৩৯,২৩০ জন[1] (পুরুষ: ১৯,৬৭৫ এবং মহিলা: ১৯,৫৫৫); প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,৬৩৯ জন লোক বাস করে।
স্বাস্থ্য
- হাসপাতাল - ১টি
- কমিউনিটি ক্লিনিক - ৪টি
- পশু হাসপাতাল - ১টি
শিক্ষা
শিক্ষার হার প্রায় ৭৭%।
- সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় - ৯টি
- বে-সরকারী রেজিঃ প্রাঃ বিদ্যালয়- ৫টি
- উচ্চ বিদ্যালয় - ৪টি
- কলেজ - ৩টি
- মাদ্রাসা - ৫টি।
- কিন্ডার গার্টেন স্কুল-৩ টি (শিশুকানন বিদ্যাভবন প্রি-ক্যাডেট স্কুল, সানভিউ কিন্ডার গার্টেন এবং আদর্শ কেজি স্কুল)
কৃষি
প্রধান কৃষিজ ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, পাট ও আঁখ।
অর্থনীতি
গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত শিল্প এলাকা মহিমাগঞ্জ। গাইবান্ধা জেলার একমাত্র ভারী শিল্প রংপুর চিনি কল লিমিটেড মহিমাগঞ্জের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এছাড়াও এখানে অনেক ছোট বড় শিল্প কারখানা এবং গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে।
কৃতী ব্যক্তিত্ব
- আহমেদ হোসেইন - অবিভক্ত বাংলার কৃষি মন্ত্রী।
দর্শনীয় স্থান
- রংপুর চিনি কল লিমিটেড;
- বাঙ্গালী নদী - দেওয়ানতলা।
বিবিধ
- পোস্ট অফিস - ১টি;
- হাট-বাজার - ১টি;
- ব্যাংক - ৩টি;
- মসজিদ - ৫৫টি;
- মন্দীর - ১০টি;
- রেলওয়ে স্টেশন - ১টি;
- ভুমি অফিস - ১টি;
- এন জি ও - ৭টি;
- নদী - ১টি;
- ঈদগাহ মাঠ- ২টি।
আরও দেখুন
- বিষয়শ্রেণী:মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
- মহিমাগঞ্জ মহাবিদ্যালয়
- রংপুর চিনি কল লিমিটেড
- গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা
- গাইবান্ধা জেলা
- রংপুর বিভাগ
তথ্যসূত্র
- Population & Housing Census-2011 [আদমশুমারি ও গৃহগণনা-২০১১] (পিডিএফ) (প্রতিবেদন)। জাতীয় প্রতিবেদন (ইংরেজি ভাষায়)। ভলিউম ২: ইউনিয়ন পরিসংখ্যান। ঢাকা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। মার্চ ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ফেব্রুয়ারি ২০১৭। এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন:
|সংগ্রহের-তারিখ=
(সাহায্য) - "মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের সরকারি তথ্য বাতায়ন"। gaibandha.gov.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০১-০১।
- "মহিমাগঞ্জ ইউনিয়ন এর গ্রামের তালিকা ও তাদের জনসংখ্যা"। ২৭ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৪।