রুটিং (অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম)
রুটিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোনে, ট্যাবলেট এবং অন্যান্য ডিভাইসে চলমান অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এর সুপার ইউসার বানিয়ে দেয়া হয়। একজন সুপার ইউসার হওয়ার মাধ্যমে ব্যবহারকারী অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এর সকল কাজ নিয়ন্ত্রন করতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েড লিনাক্স কার্নেল ব্যবহার করে, একটি অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বিশিষ্ট ডিভাইসকে রুট করার মাধ্যমে লিনাক্স অথবা অন্যান্য ইউনিক্স নির্ভর অপারেটিং সিস্টেমের মতো সুপার ইউসার হওয়া যায়।
রুটিং প্রায় সময়ই ফোন প্রস্তুতকারকদের দ্বারা প্রদানকৃত সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়। কারন, রুট করার মাধ্যমে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন অথবা সেটিং বদলানো যায়, কিছু বিশেষ অ্যাপ চালানো যায় অথবা এমন কিছু কাজ করা যায় যা রুট করা ছাড়া একজন সাধারন ব্যবহারকারী করতে পারে না। এমনকি রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম প্রতিস্থাপন করা বা সম্পূর্ণ ভাবে মুছে ফেলা যেতে পারে।
রুট এক্সেস মাঝে মাঝে জেলব্রেকিং এর সাথে তুলনা করা হয়, যা অ্যাপল এর iOS অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা চালিত ডিভাইস সমুহে করা হয়ে থাকে। যাইহোক, এদের ধারনা আলাদা। জেলব্রেকিং এর মাধ্যমে অ্যাপেল এর দেয়া কিছু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করা হয়, যার মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম পরিবর্তনও রয়েছে (এক্ষেত্রেও বুটলোডার দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা হয়) । জেলব্রেকিং এর মাধ্যমে অফিসিয়ালি অনুমোদন দেয়া হয়নি, এমন অ্যাপ ব্যবহার করা যায় (সাইডলোড) এবং ব্যবহারকারীকে সিস্টেম পরিবর্তনের কিছু বিশেষ ক্ষমতা দেয়া হয়। শুধুমাত্র সংখ্যালঘু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের বুট লোডার লক করা থাকে এবং অনেক বিক্রেতারাই যেমন HTC, সনি, আসুস এবং গুগল আনলক করার ক্ষমতা প্রদান করে, এমনকি অপারেটিং সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে প্রতিস্থাপন করে ফেলাও! [1][2][3] সাইডলোড দ্বারা যেসব অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার ক্ষমতা পাওয়া যায়, তার বেশির ভাগ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে রুট করা ছাড়াই পাওয়া যায়।
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
রুট করার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ডিভাইসের স্টক কনফিগারেশনে যে সকল সুবিধা নেই, সেই সকল সুবিধাও পায়। সাধারণের চেয়ে উন্নত এবং সম্ভাব্য বিপজ্জনক অপারেশন সহ, সিস্টেম ফাইল পরিবর্তন বা মুছে ফেলা, স্থায়ী ভাবে ইন্সটল করা অ্যাপ্লিকেশন মুছে ফেলা, এবং নিম্ন-স্তরের হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রন করা (যেমনঃ রিবুট করা, স্ট্যাটাস লাইট নিয়ন্ত্রন করা বা টাচ ইনপুট রিকেলিব্রেট করা)। থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে রুট করা হলে সেই অ্যাপ্লিকেশন রুটের পর একটি সুপার ইউসার অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করে দেয়। সেই অ্যাপ্লিকেশন অন্য সকল অ্যাপ্লিকেশনের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করে এবং চালনার অনুমতি প্রদান করে। অপারেটিং সিস্টেম প্রতিস্থাপন বা মুছে ফেলার ক্ষেত্রে ডিভাইসের বুটলোডার ভেরিফিকেশন আনলক করতে হয়।
অ্যাপল স্টোরে যে সকল অ্যাপ্লিকেশন নেই, সেই সকল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার জন্য ডিভাইসে জেলব্রেক করতে হয়। যা সাইডলোডিং নামেও পরিচিত। অ্যান্ড্রয়েড এ এটি আরো সহজ উপায়ে করা হয়। এক্ষেত্রে ডিভাইসের Settings মেনু থেকে "Unknown sources" অপশনটা চালু করে দিতে হবে। তবে অ্যামেরিকার কিছু ফোন ক্যারিয়ার কোম্পানি, যেমনঃ AT&T, ফোনে প্লে স্টোরের বাইরের কোন এপ ইন্সটল করার ক্ষেত্রে বাধা প্রদান করে।[4] কিন্তু কিছু ডিভাইস এ নিয়মের আওতায় পড়ে না। যেমনঃ Samsung Infuse 4G। [5] ২০১১ সালের দিকে AT&T বেশির ভাগ ডিভাইসের জন্যই এ নিয়ম অকার্যকর করে দেয়। [6]
২০১১ সাল থেকে আমাজন কিন্ডল ফায়ার গুগল প্লে এর বদলে আমাজন অ্যাপস্টোর ব্যবহার করা শুরু করে, অন্যান্য অ্যানড্রয়েড ডিভাইসের মতোই কিন্ডল ফায়ার অপরিচিত উৎস থেকে অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করতে দেয়,[7] "ইজি ইন্সটলার" এ ব্যাপারটিকে আরো সহজ করে তুলেছে। অন্যান্য ফোন বিক্রেতারা ভবিষ্যতে হয়তো অন্য কোন উপায় ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারেন। বাড়তি কিছু অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার জন্য হয়তো রুট করার দরকার হতে পারে, তবে রুটিং সব সময়ই প্রয়োজনীয় নয়।
একটি অ্যানড্রয়েড ফোন রুট করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কোন সিস্টেম ফাইল যুক্ত করা, সম্পাদনা করা অথবা মুছে ফেলতে পারেন, যেসব অ্যাপ্লিকেশন রুট বিহীন ফোনে ব্যবহার করা যায় না, সেসব অ্যাপ্লিকেশনও ব্যবহার কারী ব্যবহার করতে পারেন। [8]
সুবিধা সমূহ
রুটিং এর উপকারিতা এর মধ্যে রয়েছে সম্পূর্ণ ডিভাইসের নিয়ন্ত্রন হাতে নিয়ে আসার সম্ভাবনা। একজন সুপার ইউসার ডিভাইসের সিস্টেম ফাইলে প্রবেশাধিকার রয়েছে। সুপার ইউসার অপারেটিং সিস্টেম এর সকল কিছুই নিয়ন্ত্রন করতে পারবে, এক্ষেত্রে একমাত্র সীমাবদ্ধতা ব্যবহারকারীর প্রোগ্রামিং দক্ষতা। [9] রুট করা ডিভাইস থেকে অবিলম্বে নিচের সুবিধাগুলো পাওয়া যেতে পারে:[10][11]
- থিমের জন্য সাপোর্ট দেয়া। ব্যাটারি আইকনের রং পরিবর্তন থেকে শুরু করে ফোন অন বা অফ হওয়ার সময়ের স্ক্রিন(বুট অ্যানিমেশন) পর্যন্ত পরিবর্তন করা যায়। আরো নানা রকমের সুবিধা তো আছেই।
- কার্নেলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, উদাহরণস্বরূপ, সিপিউ এবং জিপিউ এর ওভারক্লকিং ও আন্ডারক্লকিং।
- সকল অ্যাপ্লিকেশন নিয়ন্ত্রন করা যায়। যেমন ব্যাকআপ করার সক্ষমতা, কোন কিছু রিষ্টর করা, অনেক অ্যাপ্লিকেশন একসাথে সম্পাদনা করা অথবা এমন কোন অ্যাপ্লিকেশন মুছে ফেলা, যা প্রস্তুত কারক দ্বারা স্থায়ি ভাবে ইন্সটল করা থাকে।
- সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।
- ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু, বুট লগো, ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন পরিবর্তন করা যায়। ডিভাইসে নতুনত্ব তৈরি করা যায় নতুন কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের ব্যবহার করে।
- বিভিন্ন গেমস ও অ্যাপ ব্যবহার ও হ্যাক করতে রুট অ্যাক্সেস প্রয়োজন। ফোন রুটা করার মাধ্যমে বিভিন্ন গেম হ্যাক করা যায়।
- থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সিস্টেমের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম নিয়ন্ত্রন করা। [12]
- কাস্টম রম বা কাস্টম ফার্মওয়্যার ইন্সটল করার সুযোগ দেয়, যা রুট করা ডিভাইসে আরো কিছু অতিরিক্ত মাত্রার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রদান করে। (যদিও রুট ছাড়াও কাস্টম রিকভারির মাধ্যমে কাস্টম রম ইন্সটল করা সম্ভব)
অসুবিধা সমূহ
ফোন রুট করার কিছু অসুবিধা রয়েছে। ফোন রুট করার মাধ্যমে ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। যেমনঃ
- ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে স্মার্টফোন ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। স্মার্ট ফোনের ওয়ায়েন্টি বাতিল হয়ে যায়।
- রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় কোন সমস্যা হলে ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। এর ফলে ফোন সফট ব্রিক বা হার্ড ব্রিক করতে পারে
পদ্ধতি
কিছু রুট করার পদ্ধতি কমান্ড প্রম্পট এবং অ্যান্ড্রয়েড ডিবাগ ব্রিজ (এডিবি) নামক ডেভেলপমেন্ট ইন্টারফেস ব্যবহার করে। অন্যান্য পদ্ধতি ব্যবহার করেও রুট করা যেতে পারে, বিশেষ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে একটি ক্লিকের মাধ্যমেই করা যায়। এক্ষেত্রে থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হয়। একই ডিভাইসের ভিন্ন হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন থাকতে পারে, সেক্ষেত্রে একটি ডিভাইসের রুট করার পদ্ধতি যদি অন্য ডিভাইসের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়, তবে ডিভাইসটি নষ্ট করে ফেলার ঝুকি রয়েছে। [13]
কোন থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে রুট করাকে "সফট রুট" বলা হয়। এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা জনিত সমস্যা থাকতে পারে। মাঝে মাঝে "সফট রুট" করা ফোনে ম্যালওয়্যার প্রবনতা দেখা যায়। su
বাইনারি ফ্লাসিং করার মাধ্যমে রুট করা হলে তাকে "হার্ড রুট" বলা হয়।[14]
বৈচিত্র্য সমূহ
রুট করার প্রক্রিয়া ডিভাইস অনুযায়ী ভিন্ন হয়, কিন্তু সাধারনত ফার্মওয়ারে থাকা এক বা তার অধিক সিকিউরিটি বাগ কাজে লাগানোও এর অন্তর্ভুক্ত। একবার একটি সিকিউরিটি বাগ আবিষ্কৃত হলে, কাস্টম রিকভারি ইমেজ ফ্লাশ করা যাবে, যা ফার্মওয়্যার হালনাগাদের ডিজিটাল স্বাক্ষর চেক এড়িয়ে যাবে। তারপর একটি পরিবর্তিত ফার্মওয়্যার হালনাগাদ ইনস্টল করা যাবে, যা সাধারণত রুট করা ডিভাইসে অ্যাপ চালানোর জন্য প্রয়োজন হবে। উদাহরণস্বরূপ, su
বাইনারি (যেমন একটি ওপেন সোর্স Superuser এর সাথে জোটবদ্ধ করা [15] বা SuperSU অ্যাপ্লিকেশন[16]) থেকে কপি করা যাবে বর্তমান চলমান প্রক্রিয়ার একটি স্থানে (যেমন /system/xbin/
) এবং এক্সিকিউটেবল অনুমতি chmod
কমান্ড এর সাথে মঞ্জুর করে। Superuser বা SuperSU এর মতো থার্ড পার্টি সুপারভাইসর অ্যাপ এরপর অন্যান্য অ্যাপের অনুমতির আবেদন নিয়ন্ত্রন এবং দেখাশুনা করতে পারে। দ্রুত এবং সহজ ভাবে অ্যানড্রয়েড ডিভাইস রুট করার জন্য অনেক গাইড, টিউটোরিয়াল, এবং স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি রয়েছে।
একটি রুট করার প্রক্রিয়া কখনো কঠিন হতে পারে আবার কখনো সহজ, এবং এটা তখনকার সুবিধার উপরও নির্ভর করে। উদাহরণস্বরূপ, এইচটিসি ড্রিম (HTC G1) মুক্তি পাওয়ার পর আবিষ্কৃত হয় যে, যা কিছুই লিখার চেষ্টা করা হতো তা ব্যাখ্যা হয়ে যেত। এর কারন ছিল রুট শেলে একটি ভুল কমান্ড। যাইহোক, গুগল দ্রুত এ সমস্যা ঠিক করতে একটি প্যাঁচ মুক্ত করে। কিন্তু পুরনো ফার্মওয়ারের একটি সাইনড ইমেজ প্রকাশিত হয়ে যায়, ফলে ব্যবহার কারীরা রুট করার জন্য বাড়তি সুবিধা পেয়ে যায়।
প্রস্তুতকারকের সমর্থন
কিছু নির্মাতারা যেমন, এলজি, এইচটিসি এবং মটোরোলা বুট-লোডার আনলক করার জন্য অফিশিয়াল সাপোর্ট প্রদান করে। এতে কোন সিকিউরিটি বাগ কাজে লাগানো ছাড়াই রুট করা যায়। [17] তবে এ সমর্থন শুধু মাত্র কিছু নির্দিষ্ট ফোনের জন্যই সীমিত থাকে - উদাহরণস্বরূপ, এলজি তাদের বুট-লোডার আনলক টুল শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু মডেলের জন্য মুক্ত করে। [18]
এই গুগল-ব্র্যান্ডেড অ্যান্ড্রয়েড ফোন গুগল নেক্সাস এর ডিভাইস গুলোর বুট-লোডার আনলক করা যায় ডিভাইসটি কেবল একটি কম্পিউটারের সাথে সংযোগ দেয়ার মাধ্যমেই। বুট-লোডার মোড চালিয়ে এবং Fastboot প্রোটোকলে কমান্ডটি রান করাতে হবে fastboot oem unlock
[19] কমান্ড গ্রহণ করার পর, একটি সতর্কবার্তার মাধ্যমে বুট-লোডার আনলক হয়ে যাবে। তারপর একটি নতুন সিস্টেম ইমেজ সরাসরি ফ্ল্যাশে লেখা যাবে। এক্ষেত্রে কোন সিকিউরিটি বাগ কাজে লাগানোর প্রয়োজন হবে না।
অসুবিধা
অতীতে অনেক নির্মাতারাই রুট করা যায় না সাথে আরো বেশি নিরাপত্তা সম্বলিত ফোন তৈরি করতে চেয়েছিলেন (যেমনঃ Droid X), কিন্তু সেসব ফোনও কিছু উপায়ে রুট করা যায়। কিছুদিন আগে হালনাগাদ করা হয়েছে এমন ফোনের জন্যে সাময়িক ভাবে রুট করার উপায় থাকে না, কিন্তু কিছু সময়ের ব্যবধানেই কিছু উপায় হাজির হয়ে পড়ে। [20]
শিল্প প্রতিক্রিয়া
২০১০ সাল পর্যন্ত, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন নির্মাতারা সেইসাথে মোবাইল ক্যারিয়ার কোম্পানি গুলো থার্ড পার্টি ফার্মওয়ার ডেভেলপমেন্টকে সমর্থন করতো না। অফিশিয়াল সফটওয়্যার ছাড়া অন্যান্য সফটওয়্যার চালালে ডিভাইস ঠিক ভাবে কাজ করবে কিনা এবং এর সেবা সম্পর্কিত ব্যয় নিয়ে তারা শঙ্কিত ছিল।[21] কিছু ফার্মওয়ার, যেমন OmniROM এবং CyanogenMod কখনও কখনও বৈশিষ্ট্য প্রস্তাব করে যে কোন ক্যারিয়ার কোম্পানি (অপারেটর) চার্জ কাটবে; যেমন টিথারিং। এ কারনেই, কিছু প্রযুক্তিগত বাধা, যেমন লক করা বুট-লোডার এবং সিমাবদ্ধ প্রবেশ এড়াতে রুট পারমিশনের সাথে সকলকে পরিচিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, ২০১১ সালের শেষ দিকে বার্নস এন্ড নোবেল এবং আমাজন ডট কম এর নুক ট্যাবলেট এর জন্য ফার্মওয়্যার হালনাগাদ ১.৪.১ এবং কিন্ডল ফায়ার এর জন্য ফার্মওয়্যার হালনাগাদ ৬.২.১ ওভার দ্য এয়ার প্রকাশ করে। এতে রুট করার একটি পদ্ধতি অকার্যকর হয়ে পড়ে। নুক ট্যাবলেট ১.৪.১ এ ব্যবহারকারীদের অন্য উৎস থেকে অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করার সুবিধা মুছে ফেলে। এর ফলে অফিশিয়াল বার্নস এন্ড নোবেল অ্যাপস্টোর ছাড়া অন্য কোথাও থেকে অ্যাপ ইন্সটল দেয়া যেত না। (মোড ছাড়া) [22][23]
তবে, ২০০৯ এর শেষের দিক থেকে ২০১০ সালের প্রথম দিকে কমিউনিটি-ডেভেলপড সফটওয়্যার জনপ্রিয়তা পেতে থাকে,[24][25] এবং নিম্নলিখিত একটি বিবৃতি দ্বারা কপিরাইট অফিস এবং কংগ্রেসের (মার্কিন) গ্রন্থাগারিক জেলব্রেক করা ফোন ব্যবহার করার অনুমতি প্রদান করে,[26] ফলে নির্মাতা ও ক্যারিয়ার কোম্পানি গুলো CyanogenMod এবং অন্যান্য আনঅফিশিয়াল ফার্মওয়্যার ডিস্ট্রিবিউশন নিয়ে নিজেদের অবস্থান বদলাতে বাধ্য হয়। কিছু নির্মাতারা যেমন, এইচটিসি,[27] স্যামসাং,[28] মটোরোলা[29] এবং সনি মোবাইল কমিউনিকেশনস[30] সক্রিয় ভাবে সমর্থন প্রদান এবং উন্নয়নে উৎসাহ প্রদান করে।
২০১১ সালে, আনলক করা যায় এমন ডিভাইস (নেক্সাস সিরিজের ফোন গুলোর মতো) জনপ্রিয়তা লাভের কারনে আনঅফিশিয়াল ফার্মওয়ার ইন্সটলের প্রয়োজনীয়তা কমে যায়। ডিভাইস প্রস্তুতকারক এইচটিসি ঘোষণা করেছে যে, সব নতুন ডিভাইসে বুট-লোডার আনলক করার পদ্ধতি দেয়া থাকলে তা আফটার মার্কেট সফটওয়্যার ডেভেলপারদের সাহায্য করবে। তবে কিছু ক্যারিয়ার কোম্পানি, যেমন ভেরাইজন ওয়্যারলেস এবং আরো সম্প্রতি AT&T, OEMs এর সাথে একটানা বিরোধ করে চলেছে। এইচটিসি এবং মটোরোলা, বুট-লোডার আনলক করা যায় এমন ফোনের বদলে ফোনের "ডেভেলপার সংস্করণ" মুক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এসব ডিভাইস ভর্তুকিহীন এবং চুক্তি ছাড়া বিক্রি করা হয়। এ প্রক্রিয়া নেক্সাস ডিভাইসের মতোই, কিন্তু এটি প্রিমিয়াম এবং কোন চুক্তি ছাড় নেই।
২০১৪ সালে, স্যামসাং "নক্স" নামে একটি নিরাপত্তা সেবা চালু করে। এই টুলটি সিস্টেম এবং বুট ফাইলে যেকোনো ধরনের পরিবর্তনে বাধা প্রদান করত। রুট করার যেকোনো প্রচেষ্টার কারনে ওয়ারেন্টি আইন ভঙ্গ হতো। [31]
বৈধতা
আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহ, যেসব আইন রুটিংকে প্রভাবিত করে সেসব আইনকে প্রভাবিত করছে। ১৯৯৬ বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি সংস্থা (WIPO) কপিরাইট চুক্তি-তে রাষ্ট্র সমুহকে ডিআরএম প্রতারণার বিরুদ্ধে আইন প্রনয়নের কথা বলা হয়েছে। ডিজিটাল মিলেনিয়াম কপিরাইট অ্যাক্ট (DMCA), যাতে কপিরাইট অলঙ্ঘঙ্কারি বিষয় যেমনঃ রুটিং; প্রতিষ্ঠার জন্য একটি প্রক্রিয়া রয়েছে। ২০০১ সালে ইউরোপিয়ান কপিরাইট নির্দেশিকা ইউরোপে বাস্তবায়িত চুক্তি অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর প্রযুক্তিগত সুরক্ষা ব্যবস্থা জন্য আইনি সুরক্ষা বাস্তবায়ন প্রয়োজন। কপিরাইট নির্দেশিকায় নন-কপিরাইট লঙ্ঘনকারীর উদ্দেশ্যে ছাড় রয়েছে, যেমন বিকল্প সফটওয়্যার চালানো। কিন্তু, সদস্য রাষ্ট্র গুলো আইন বাস্তবায়ন করায় তারতম্য লক্ষ্য করা যায়।
অস্ট্রেলিয়া
২০১০ সালে, ইলেক্ট্রনিক ফ্রন্টিয়ারস অস্ট্রেলিয়া বলে, এটি স্পষ্ট নয় যে রুটিং আইনি ভাবে বৈধ কিনা এবং এক্ষেত্রে বিরোধী প্রতারণা আইন প্রযোজ্য হতে পারে.[32] এই আইন কপিরাইট সংশোধনী আইন, ২০০৬ দ্বারা জোরদার করা হয়েছিলো।
কানাডা
২০১২ সালের নভেম্বরে কানাডা তাদের সংশোধিত কপিরাইট আইনের সঙ্গে নতুন বিধান যুক্ত করে। এতে ডিজিটাল লকের সঙ্গে গরমিল নিষিদ্ধ করা হয়। সফটওয়্যার আন্তঃক্রিয়ার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়।[33] ডিভাইসে কোন বিকল্প সফটওয়্যার চালনার জন্য রুট করা সফটওয়্যার আন্তঃক্রিয়ার উদ্দেশ্যে ডিজিটাল লকের সাথে গরমিল করার অন্য রূপ।
২০০৮-২০১১ -তে কপিরাইট আইন (বিল সি-৬০, বিল সি-৬১, এবং বিল সি-৩২) সংশোধন করতে করতে বেশ কয়েকবার প্রচেষ্টা করা হয়। এসব প্রচেষ্টা চালানো হয় ডিজিটাল লকের সঙ্গে গরমিল নিষিদ্ধ করার জন্য। প্রাথমিক প্রস্তাবের সঙ্গে সি-১১ ছিল সবচাইতে নিয়ন্ত্রণমূলক [34] কিন্তু পরবর্তীতে এসব বিল নাকচ করা হয়। ২০১১ সালে মাইকেল গেইস্ট, একজন কানাডিয়ান কপিরাইট পণ্ডিত আইফোনে জেলব্রেকিংকে একটি অ-কপিরাইট-সংক্রান্ত কার্যকলাপ হিসাবে চিহ্নিত করেন। [35]
ইউরোপীয় ইউনিয়ন
ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশন ইউরোপ যুক্তি দেখিয়েছে, কোন ডিভাইস রুট অথবা ফ্লাস করা আইনি ভাবে বৈধ। ইউরোপীয় নির্দেশিকা 1999/44/CE অনুযায়ী আসল অপারেটিং সিস্টেম অন্য কোন অপারেটিং সিস্টেম দ্বারা প্রতিস্থাপন করলে তা প্রস্তুতকারক কতৃক প্রদানকৃত হার্ডওয়্যার ওয়ারেন্টি ভঙ্গ করে না, যতক্ষণ পর্যন্ত বিক্রেতা প্রমাণ করতে পারে যে ব্যবহারকারীর সফটওয়্যার জনিত পরিবর্তনের কারনেই হার্ডওয়্যারের ক্ষতি হয়েছে। [36]
যুক্তরাজ্য
Copyright and Related Rights Regulations 2003 আইন আন্তক্রিয়ার উদ্দেশ্যে ডিআরএম সুরক্ষা ব্যবস্থার সাথে প্রতারনা করা আইনি ভাবে বৈধ। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কপিরাইট আইন ভঙ্গ করা যাবে না। রুটিং ও এক ধরনের প্রতারনা, যা এ আইনের আওতায় পড়ে। কিন্তু এই আইন এখনো আদালতে পরীক্ষা করা হয়নি।[37] প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রেও এই আইন প্রাসঙ্গিক হতে পারে। [38] আরও দেখুন উপরের "ইউরোপীয় ইউনিয়ন" বিভাগে।
ভারত
ভারতের কপিরাইট আইন নন-কপিরাইট লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে ডিআরএম প্রতারণার অনুমতি প্রদান করে। ভারতীয় সংসদ এই ডিআরএম সংক্রান্ত বিধান, একটি বিল সহকারে ২০১০ সালে সকলের সামনে উপস্থাপন করে এবং ২০১২ সালে সে বিল, কপিরাইট (সংশোধন) বিল ২০১২ নামে পাশ করা হয়। ভারত ডব্লিওআইপিও কপিরাইট চুক্তি সাক্ষর করে নি। এ চুক্তিতে ডিআরএম প্রতারনায় কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়। কিন্তু মার্কিন স্পেশাল ৩০১ রিপোর্ট এর "পিরিওটি ওয়াচ লিস্ট" এ নাম থাকার কারনে কপিরাইট আইন ভঙ্গকারীদের সঙ্গে কঠোর হওয়ার জন্য তাদের প্রতি চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।
নিউজিল্যান্ড
নিউজিল্যান্ড এর কপিরাইট আইন ব্যবহার করতে পারবেন প্রযুক্তিগত সুরক্ষা পরিমাপ (TPM) প্রতারণা পদ্ধতি হিসাবে দীর্ঘ হিসাবে ব্যবহার করার জন্য আইনি, নন-কপিরাইট লঙ্ঘনকারী উদ্দেশ্যে। [39][40] এই আইন যোগ করা হয়েছিল কপিরাইট আইন ১৯৯৪-এর অংশ হিসাবে কপিরাইট (নতুন প্রযুক্তি) সংশোধনী আইন, ২০০৮।
সিঙ্গাপুর
সিঙ্গাপুরে রুটিং-এর আইনি ভাবে অনুমোদন রয়েছে যদি তা কপি রাইট আইন ভঙ্গ না করে। তবে এখনো আদালতে পরীক্ষা করা হয়নি। [41]
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
আনলকিং কনজুমার চয়েস অ্যান্ড ওয়্যারলেস কম্পিটিশন আইন নিশ্চয়তা দেয় যে, ব্যবহারকারিরা তাদের ফোন আনলক করতে পারবেন অথবা আনলক করতে দিতে পারবেন। ডিএমসিএ এর আওতায় রুটিং করা অ্যামেরিকায় অবৈধ, তবে কিছু অব্যাহতি রয়েছে। মার্কিন কপিরাইট অফিস কমপক্ষে ২০১৫ পর্যন্ত এই আইনকে অব্যাহতি প্রদান করেছে। [42]
২০১০ সালে ইলেক্ট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন এর একটি অনুরোধের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মার্কিন কপিরাইট অফিস ডিএমসিএ কে স্পষ্ট ভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে রুটিং করার জন্য। [43][44] তাদের লাইব্রেরি অফ কংগ্রেস ২০১০ সালের ২৬ জুলাই জানায় যে, রুটিং ডিএমসিএ এর ডিজিটাল লকের সাথে গরমিল করার আইন থেকে অব্যাহতি পেয়েছে। ডিএমসিএ এর আইন গুলো প্রতি তিন বছর পর পর পর্যালোচনা অথবা নবায়ন করতে হয়, অন্যথায় সেসবের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে পড়ে।
অক্টোবর ২৮, ২০১২ এ মার্কিন কপিরাইট অফিস তাদের অব্যাহতি নীতি হালনাগাদ করে। স্মার্টফোন রুট করা আইনত ভাবে বৈধ থাকবে "যেখানে অ্যাপ্লিকেশন এর আন্তঃপরিচালনা করার উদ্দেশ্যেই প্রতারনা করা হয়"। যাইহোক, মার্কিন কপিরাইট অফিস ট্যাবলেট-এর জন্য এই অব্যাহতি প্রসারিত করতে প্রত্যাখ্যান করেন। তারা যুক্তি দেন যে "ট্যাবলেট" বিস্তৃত এবং অসংজ্ঞায়িত, এবং এই ধরনের ডিভাইসের জন্য অব্যাহতি প্রদান করলে তার অনিচ্ছাকৃত পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। [45][46][47] এছাড়াও কপিরাইট অফিস অনুমোদন না পাওয়া ক্যারিয়ারে আন-অফিসিয়ালি আনলক করা ফোন ব্যবহার করার জন্য ২০১০ অব্যাহতি আইন নবায়ন করে। কিন্তু জানুয়ারি ২৬, ২০১৩ এর আগে ক্রয় করা ফোনের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়।
কলোম্বিয়া আইন স্কুলের অধ্যাপক টিম উ ২০০৭ সালে যুক্তি প্রদান করেন যে, জেলব্রেকিং আইনি ভাবে বৈধ, নৈতিক, এবং শুধু সাধারণ মজা করার সামিল। [48] উ একটি স্পষ্ট অব্যাহতি উদাহৃত করেন, যা ব্যক্তিগত আনলকিং এর জন্য ২০০৬ সালে লাইব্রেরী অফ কংগ্রেস দ্বারা জারি করা হয়। সেখানে উল্লেখ রয়েছে যে, "যেসব লক অপারেটররা গ্রাহকদের অন্য অপারেটরে সরে যাওয়ার সুবিধা কমিয়ে দেয় এবং যা তার বিহীন ভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়, যা সম্পূর্ণ একটি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে করা হয়, সেসব লকের সাথে কপিরাইট এবং ডিএমসিএ এর কোন সংশ্লিষ্টতা নেই"। [49] উ দাবি করেন নি যে, এই অব্যাহতি যারা অন্যকে আনলক করতে সাহায্য অথবা সেরকম করার জন্য সফটওয়্যার এ ট্রাফিক। ২০১০ এবং ২০১২ সালে মার্কিন কপিরাইট অফিস একটি অব্যাহতি অনুমোদন দেয়, যাতে ডিএমসিএ ব্যবহারকারীদের আইনি ভাবে তাদের ডিভাইস রুট করার অনুমতি দেয়।[50] কিন্তু এখনো রুটিং বন্ধ করা বা রুট করা ফোন কাজ করা থেকে বিরত রাখার জন্য প্রযুক্তিগত পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এছাড়াও এটি এখনো স্পষ্ট নয় যে রুটিংকে সহজ করতে যেসব সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়, সেসব নিয়ে নাড়াচাড়া করা আইনি ভাবে বৈধ কিনা।[51]
তথ্যসূত্র
- "HTC Bootloader Unlock Instructions"। htcdev.com। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০১৪।
- "Official Bootloader Unlock instructions"। sonymobile.com।
- "#unlocking-the-bootloader Google instructions on bootloader unlocking"। source.android.co.m। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০১৪।
- "The Official AT&T FAQs"। Wireless.att.com। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১৮, ২০১১।
- "Samsung INFUSE 4G capable of side-loading apps, accessing Amazon Appstore"। MobileBurn। মে ৭, ২০১১। ১৮ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ১৮, ২০১১।
- Mike Luttrell (মে ১৯, ২০১১)। "AT&T customers can finally use Amazon's Appstore"। TG Daily। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৭, ২০১২।
- Austin Krause (ডিসেম্বর ৮, ২০১১)। "How to Enable Sideloading on the Kindle Fire"। groovyPost। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ২৭, ২০১২।
- Gaurav Gahlyan (নভেম্বর ৩, ২০১২)। "What you can do after rooting your Android device"। Droidiser। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ২০, ২০১২।
- "Rooting: Advantages and Disadvantages"। ITCSE। ২৯ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০১৪।
- "Five Reasons Why Everyone Should "Root" Their Android - Review Lagoon"। ৬ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৫।
- Whitson Gordon। "Top 10 Reasons to Root Your Android Phone"। Lifehacker। Gawker Media। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৫।
- "Advantages of Rooting Your Android Device"। spyappsmobile.com। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৪।
- "Introduction Guide on How to Root Your Android"। Spy Apps Mobile। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৪।
- Zhang, Hang; She, Dongdong; Qian, Zhiyun (২০১৫-০১-০১)। "Android Root and Its Providers: A Double-Edged Sword"। Proceedings of the 22Nd ACM SIGSAC Conference on Computer and Communications Security। CCS '15। New York, NY, USA: ACM: 1093–1104। doi:10.1145/2810103.2813714। আইএসবিএন 9781450338325।
- "ChainsDD/su-binary"। GitHub। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-০৮।
- "How to Root Your Android Phone with SuperSU and TWRP"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-০৮।
- "Everything you need to know about rooting your Android"। Android Central। ২০১৬-০৬-০৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-০৮।
- "LG Releases Its Long Promised Bootloader Unlock Tool, But It Currently Only Supports The G4 For The EU Open Market (H815)"। Android Police। ২০১৫-০৬-০২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-১০-০৮।
- "Building for devices"। Google Git। Google Inc.। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৫।
- "Everything You Need to Know About Rooting Your Android Phone"। Lifehacker.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০২-২৬।
- "Unlock Bootloader"। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩০, ২০১১।
- Smith, Peter (ডিসেম্বর ২১, ২০১১)। "Kindle Fire and Nook Tablet both get 'upgraded' with reduced functionality"। ITworld। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১০, ২০১২।
- Verry, Tim (ডিসেম্বর ২১, ২০১১)। "Kindle Fire and Nook Tablet Receive Root Access Killing Software Updates"। PC Perspective। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১০, ২০১২।
- Jason Perlow (জানুয়ারি ১৮, ২০১১)। "CyanogenMod CM7: Teach your old Droid New Tricks"। ZDNet। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৪, ২০১২।
- "MIUI firmware is "popular""। AndroidAndMe। আগস্ট ১৬, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৪, ২০১২।
- Sadun, Erica (জুলাই ২৬, ২০১০)। "LoC rules in favor of jailbreaking"। Tuaw.com। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৪, ২০১২।
- "HTC's bootloader unlock page"। Htcdev.com। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৪, ২০১২।
- "CyanogenMod supported by Samsung, gives away Galaxy S2 to devs"। ITMag। জানুয়ারি ৫, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৫।
- "Motorola Offers Unlocked Bootloader Tool"। Techcrunch.com। অক্টোবর ২৪, ২০১১। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ৪, ২০১২।
- Dahlström, Karl-Johan। "Sony Ericsson supports independent developers"। Sony Mobile Communications। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৫।
- "All you wanted to know about KNOX Void Warranty 0x1"। OmegaDroid। সংগ্রহের তারিখ ৯ ডিসেম্বর ২০১৫।
- Rosalyn Page (আগস্ট ৫, ২০১০)। "Could jailbreaking your iPhone land you in jail?"। PC & Tech Authority। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২১, ২০১৩।
- Michael Geist (নভেম্বর ৭, ২০১২)। "Canadian Copyright Reform In Force: Expanded User Rights Now the Law"। michaelgeist.ca। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১৩, ২০১২।
- "Canada's C-11 Bill and the Hazards of Digital Locks Provisions"। Electronic Frontier Foundation। ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১২। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ১৭, ২০১২।
- The Canadian Press (অক্টোবর ১৩, ২০১১)। "Phone 'jailbreaking' allows users to hack their phone"। CTV News। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ১৭, ২০১২।
- Matija Šuklje। "Does rooting your device (e.g. an Android phone) and replacing its operating system with something else void your statutory warranty, if you are a consumer?"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ অক্টোবর ২০১৪।
- Jim Martin (মার্চ ১৪, ২০১২)। "How to jailbreak your iPhone: Unleash the full potential of your iPhone"। PC Advisor। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২১, ২০১৩।
- Warwick Ashford (জুলাই ৩০, ২০১০)। "iPhone jailbreaking is 'okay under EU law'"। Computer Weekly। Electronics Weekly। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২১, ২০১৩।
- Michael Geist (এপ্রিল ১০, ২০০৮)। "New Zealand's Digital Copyright Law Demonstrates Anti-Circumvention Flexibility"। Michael Geist। সংগৃহীত অক্টোবর ২৬, ২০১২।Michael Geist (এপ্রিল ১০, ২০০৮)। "New Zealand's Digital Copyright Law Demonstrates Anti-Circumvention Flexibility"। Michael Geist। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ২৬, ২০১২।
- Stephen Bell (সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১১)। "Law changes required before NZ ratifies ACTA" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে। ComputerWorld New Zealand। সংগৃহীত অক্টোবর ২৬, ২০১২।Stephen Bell (সেপ্টেম্বর ৩০, ২০১১)। "Law changes required before NZ ratifies ACTA"। ComputerWorld New Zealand। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ২৬, ২০১২।
- Kenny Chee (আগস্ট ১২, ২০১০)। "iPhone jailbreak may be legal here, but... But there will be certain legal provisions."। DigitalOne। AsiaOne। ১৫ আগস্ট ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ নভেম্বর ১০, ২০১২।
- "Is It Illegal To Unlock a Phone? The Situation is Better - and Worse - Than You Think | Electronic Frontier Foundation"। Eff.org। ২০১৩-০১-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০২-২৬।
- "Copyright office provides exemption to DMCA"। United States Copyright Office। ফেব্রুয়ারি ১২, ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১৭, ২০০৯।
- Declan McCullagh (জুলাই ২৬, ২০১০)। "Feds say mobile-phone jailbreaking is OK"। Politics and Law। CNET। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ২৬, ২০১১।
- "Exemption to Prohibition on Circumvention of Copyright Protection Systems for Access Control Technologies" (PDF)। U.S. Copyright Office। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩১, ২০১২।
- Timothy B. Lee (অক্টোবর ২৫, ২০১২)। "Jailbreaking now legal under DMCA for smartphones, but not tablets"। Ars Technica। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ২৬, ২০১২।
- "New DMCA Exemptions Allow Rooting Phones (But Not Tablets), Unapproved Phone Unlocks Will Be A Thing Of The Past"। Android Police। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩১, ২০১২।
- Tim Wu (অক্টোবর ৪, ২০০৭)। "The iPhone Freedom Fighters"। Technology। Slate। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ২৬, ২০১১।
- "Federal Register: Exemption to Prohibition on Circumvention of Copyright Protection Systems for" (PDF)। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ১১, ২০১০।
- David Goldman (জুলাই ২৬, ২০১০)। "Jailbreaking iPhone apps is now legal"। CNN Money। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ১১, ২০১০।
- "Transcript of "Jailbreak?" (July 30, 2010)"। On The Media। জুলাই ৩০, ২০১০। জুলাই ৩১, ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ১১, ২০১০।