আক্সেল ভিটসেল
আক্সেল লরেন্ট আঙ্গেল লাম্বার্ট ভিটসেল (জন্ম: ১২ জানুয়ারি ১৯৮৯) হলেন বেলজিয়ামের একজন পেশাদার ফুটবলার, যিনি বর্তমানে চাইনিজ ক্লাব তিয়াঞ্জি কুয়াঞ্জিয়ান এবং বেলজিয়াম জাতীয় দলে একজন মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন।[3][4] বেলজিয়াম জাতীয় দলে খেলার সময় তিনি একাদশে একজন উইঙ্গার হিসেবে খেলেন, এবং তিনি একজন আক্রমণাত্মক মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবেও খেলতে পারেন, যদিও স্বাভাবিক অবস্থান হচ্ছে কেন্দ্রীয় মধ্যমাঠ।
![]() ২০১৬ সালে আক্সেল ভিটসেল | |||
ব্যক্তিগত তথ্য | |||
---|---|---|---|
পূর্ণ নাম | আক্সেল লরেন্ট আঙ্গেল লাম্বার্ট ভিটসেল[1] | ||
জন্ম | ১২ জানুয়ারি ১৯৮৯ | ||
জন্ম স্থান | লিয়েজ, বেলজিয়াম | ||
উচ্চতা | ১.৮৬ মি (৬ ফু ১ ইঞ্চি)[2] | ||
মাঠে অবস্থান | মধ্যমাঠের খেলোয়াড় | ||
ক্লাবের তথ্য | |||
বর্তমান ক্লাব | তিয়াঞ্জি কুয়াঞ্জিয়ান | ||
জার্সি নম্বর | ২৮ | ||
যুব পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন | |||
২০০৪–২০০৬ | স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজ | ||
জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন* | |||
বছর | দল | উপস্থিতি† | (গোল)† |
২০০৬–২০১১ | স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজ | ১৪৮ | (৩৪) |
২০১১–২০১২ | বেনফিকা | ৩২ | (১) |
২০১২–২০১৭ | জেনিট সেন্ট পিটার্সবার্গ | ১২১ | (১৬) |
২০১৭– | তিয়াঞ্জি কুয়াঞ্জিয়ান | ৩৩ | (৫) |
জাতীয় দল‡ | |||
২০০৪ | বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৫ | ১ | (০) |
২০০৫ | বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৬ | ২ | (০) |
২০০৫–২০০৬ | বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৭ | ১৯ | (০) |
২০০৬–২০০৭ | বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৮ | ৫ | (০) |
২০০৬ | বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-১৯ | ৩ | (০) |
২০০৭–২০০৯ | বেলজিয়াম অনূর্ধ্ব-২১ | ১০ | (০) |
২০০৮– | বেলজিয়াম | ৮৮ | (৯) |
† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)। |
তিনি ২০০৬ সালে তার স্থানীয় ক্লাব স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজে খেলার মাধ্যমে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি উক্ত ক্লাবের হয়ে ১৮৩টি ম্যাচে ৪২টি গোল করেছেন এবং ৫টি ঘরোয়া ট্রফি জয়লাভ করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি বেলজীয় গোল্ডেন জুতা পুরস্কারটি লাভ করেন। বেনফিকায় মাত্র এক মৌসুম অতিবাহিত হওয়ার পর তিনি ২০১২ সালে ৪০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে জেনিট সেন্ট পিটার্সবার্গে যোগদান করেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে চাইনিজ ক্লাব তিয়াঞ্জি কুয়াঞ্জিয়ানে যোগদান করার পূর্বে, ভিটসেল রাশিয়ায় থাকাকালীন সময়ে ৪টি সম্মাননা লাভ করেন।
২০০৮ সালে বেলজিয়াম জাতীয় দলের হয়ে তিনি তার জ্যেষ্ঠ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি এপর্যন্ত বেলজিয়ামের হয়ে ৮৫টির অধিক ম্যাচে ৯-এর অধিক গোল করেছেন। তিনি ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০১৬ উয়েফা ইউরোয় বেলজিয়ামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান
সম্মাননা
ক্লাব
.jpg)
- স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজ[6]
- বেলজীয় প্রো লীগ: ২০০৭–০৮, ২০০৮–০৯
- বেলজীয় কাপ: ২০১০–১১
- বেলজীয় সুপারকাপ: ২০০৮, ২০০৯
- বেনফিকা
- তাকা দা লিগা: ২০১১–১২[6]
- জেনিট
- রাশিয়ান ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ: ২০১৪–১৫
- রাশিয়ান কাপ: ২০১৫–১৬
- রাশিয়ান সুপার কাপ: ২০১৫,[6] ২০১৬
ব্যক্তিগত
- বছরের সেরা বেলজীয় যুব ফুটবলার: ২০০৭–০৮
- বেলজীয় গোল্ডেন জুতা: ২০০৮
- ও জোগো বছরের সেরা দল: ২০১২
ব্যক্তিগত জীবন
২০১৫ সালে জুন মাসে, ভিটসেল তার দীর্ঘদিনের বান্ধবী, রাফায়েলা জাবোর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুজনের দুইটি সন্তান রয়েছে।[7][8]
তথ্যসূত্র
- "Conselho de disciplina" [Disciplinary board]। Portuguese Football Federation (পর্তুগিজ ভাষায়)। ২৩ মার্চ ২০১২। পৃষ্ঠা 3। ১৯ জুন ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৪।
- "Site officiel du Standard de Liège – Accueil"। ২৭ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৬।
- "Witsel will continue his career in China" (Russian ভাষায়)। FC Zenit Saint Petersburg। ৩ জানুয়ারি ২০১৭।
- "Stats Centre: Axel Witsel Facts"। Guardian.co.uk। ২ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০০৯।
- "Axel Witsel"। Royal Belgian Football Association। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- "A. Witsel"। Soccerway। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০১৫।
- "Axel Witsel en très charmante compagnie"। La Dernière Heure (French ভাষায়)। ২৩ অক্টোবর ২০১২। ৩১ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ এপ্রিল ২০১৪।
- "Axel & Rafaella Witsel éblouissants lors de leur mariage religieux"। Sudinfo.be (French ভাষায়)। ১৩ জুন ২০১৫। ২০১৬-০৬-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৪-২০।
বহিঃসংযোগ
![]() |
উইকিমিডিয়া কমন্সে আক্সেল ভিটসেল সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে। |
- প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
- জেনিটে আক্সেল ভিটসেল
- আক্সেল ভিটসেল প্রোফাইল সকারওয়েতে
- National-Football-Teams.com-এ আক্সেল ভিটসেল (ইংরেজি)
টেমপ্লেট:তিয়াঞ্জি কুয়াঞ্জিয়ান এফসি দল