হ্যাপ্লয়েড
হ্যাপ্লয়েড বলতে বোঝায় ডিপ্লয়েড ও পলিপ্লয়েড জীবের দেহকোষে প্রাপ্ত মোট ক্রোমজোমের অর্ধেক সংখ্যক অনন্য (unique) ক্রোমোজোম বিশিষ্ট। এটি “n” দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
জীবের পুরুষ বা স্ত্রী জননকোষ হ্যাপ্লয়েড হয়ে থাকে। এছাড়াও সকল ব্যাকটেরিয়া, প্রোটোজোয়া পর্বের অধিকাংশ প্রাণীদের জীবনের অধিকাংশ সময়কাল জুড়েই হ্যাপ্লয়েড অবস্থা দেখতে পাওয়া যায়। অনিষিক্ত ডিম থেকে পুরুষ মৌমাছি ও পিপড়া জন্মায় বিধায় এরাও হ্যপ্লয়েড হয়ে থাকে।
ডিপ্লয়েড জীবের জনন কোষের (পুরুষ বা স্ত্রী) নিউক্লিয়াস এক সেট ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হয়ে থাকে যা ঐ জীবের হ্যাপ্লয়েড অবস্থা তথা হ্যাপ্লয়ডি (Haploidy)। যেমন রুই মাছের দেহ কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা ২৫ জোড়া যার প্রতিটি জোড়া থেকে একটি করে ক্রোমোজোম নিয়ে এক সেট ক্রোমোজোম গঠিত হয় এবং প্রতিটি জোড়া থেকে অপর ক্রোমোজোমটি নিয়ে অপর এক সেট ক্রোমোজোম গঠিত হয়।
যায় ডিপ্লয়েড জীবের দেহকোষ যে দুই সেট ক্রোমোজোম বিশিষ্ট হয়ে থাকে তার এক সেট আসে মায়ের জনন কোষ থেকে থেকে অন্য সেটটি আসে বাবার জনন কোষ থেকে।
।