পর্নোগ্রাফির স্বর্ণযুগ
পর্নোগ্রাফির স্বর্ণযুগ, পর্নো চিক অথবা যৌনশিল্পের স্বর্ণযুগ চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সেই যুগকে বলা হয় যখন আমেরিকায় বাণিজ্যিক পর্নোগ্রাফি মূলধারার চলচ্চিত্র, চলচ্চিত্র সমালোচক তথা জনসাধারণের কাছ থেকেও ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অর্জন করে। এই যুগের শুরু ধরা হয় ১৯৬৯ সালে অ্যান্ডি ওয়ারহোল পরিচালিত ব্লু মুভি[1][2][3] এবং ১৯৭০ সালে বিল ওসকো প্রযোজিত মোনা চলচ্চিত্রটি মুক্তিলাভের পর।[4][5] এই চলচ্চিত্রটিই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম যৌন চিত্রিত প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমমূলক চলচ্চিত্র ছিল যা ব্যাপক ভাবে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়।[1][2][3][4] উপরিউক্ত উভয়ই চলচ্চিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়েই ১৯৭২-এর গেরার্ড ডামিয়ানো পরিচালিত ও লিন্ডা লাভল্যাক অভিনীত চলচ্চিত্র ডীপ থ্রট,[6] মাইকেল ব্রাদার্স পরিচালিত ও মেরিলাইন চেম্বার্স অভিনীত বিহাইন্ড দ্যা গ্রিন ডোর,[7] ১৯৭৩ সালের আবারও ডামিয়ানো পরিচালিত দ্যা ডেভিল ইন মিস জনেস, এবং ১৯৭৬ সালের র্যডলি মেটগার পরিচালিত এবং পুরস্কারজয়ী লেখক টনি বেন্টলি (যাকে স্বর্ণযুগের "মুকট মণি" বলা হত) দ্বারা বিবেচিত দি ওপেনিং অব মাইস্টি বীথভেন ইত্যাদি।[8][9]

জনি কারসন ও বব হোপ তাদের বিভিন্ন দূরদর্শন অনুষ্ঠানে উল্লেখ করেন[5] যে, ডীপ থ্রট ছবিটি অসলে মূলধারার চলচ্চিত্র না হওয়া সত্তেও বক্স অফিসে ব্যাপক সাফল্যলাভ করে। ১৯৭৩ সালের, আরও মার্জিত কিন্তু কম বাজেটে নির্মিত দ্যা ডেভিল ইন মিস জনেস, বছরের সপ্তম সবচাইতে সফল চলচ্চিত্র ছিল এবং গণমাধ্যম সহ বিখ্যাত চলচ্চিত্র সমালোচক রজার এবার্ট এর কাছ থেকেও অনাকুল পর্যালোচনা লাভ করে।[10] পর্নের এসব অশ্লীল ঘটনাগুলি মূলধারার সেলিব্রেটিদের দ্বারা প্রকাশ্যে আলোচিত হয়, এবং সমালোচকগণও এটি গুরুত্বপূর্ণভাবে গ্রহণ করেন, আমেরিকার আধুনিক সংস্কৃতিতে প্রথমবার নিউইয়র্ক টাইমসে একটি উন্নয়ন হিসেবে একে "চটকদার পর্ন" বা "Porno Chic" নামে উল্লেখিত হয়।[5][11] এসময় পর্নচলচ্চিত্রগুলি কম বাজেটে নির্মিত হওয়ার ফলে প্রযুক্তিগত দিক থেকে হলিউড চলচ্চিত্রের সাথে প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়। তারপরও কিছু পর্নবোয় অপেক্ষাকৃত বেশী আয় করতে এমনকি হলিউড চলচ্চিত্রের উপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।[12][13]
সে পর্বের চলচ্চিত্র
সেযুগের কিছু সুপরিচি প্রাপ্তবয়স্ক প্রেমমূলক চলচ্চিত্র সমূহ:
- এ ডার্টি ওয়েস্টার্ন (মা-যু-রা, ১৯৭৫)
- অ্যালাইস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (মা-যু-রা, ১৯৭৬)
- এ নাইট অ্যাট দি অ্যাডোনিস (মা-যু-রা, ১৯৭৮)
- বারবারা ব্রডকাস্ট (মা-যু-রা, ১৯৭৭)
- বিহাইন্ড দ্যা গ্রিন ডোর (মা-যু-রা,১৯৭২)
- ব্লু মুভি (মা-যু-রা, ১৯৬৯)
- বয়জ ইন দ্যা স্যান্ড (মা-যু-রা, ১৯৭১)
- ক্যাফে ফ্লেস (মা-যু-রা, ১৯৮২)
- ক্যালিগুলা (মা-যু-রা, ১৯৭৯)
- সেঞ্চুরিয়ানস অব রোম (মা-যু-রা, ১৯৮১)
- 'ডেবি ড্যাজ ডোবস (মা-যু-রা, ১৯৭৮)
- ডীপ থ্রট (মা-যু-রা, ১৯৭২)
- এল পাসো রেরিং কর্প. (মা-যু-রা, ১৯৭৮)
- ফ্লেস গর্ডন (মা-যু-রা, ১৯৭৪)
- জ্যাক অ্যান্ড জিল (মা-যু-রা, ১৯৮৯)
- Insatiable (মা-যু-রা, ১৯৮০)
- Inside Jennifer Welles (মা-যু-রা, 1977)
- Kansas City Trucking Co. (মা-যু-রা, 1976)
- L.A. Tool & Die (মা-যু-রা, 1979)
- Maraschino Cherry (মা-যু-রা, 1978)
- Memories In Miss Aggie (মা-যু-রা, 1973)
- Mona the Virgin Nymph (মা-যু-রা, 1970)
- Nightdreams (মা-যু-রা, 1981)
- Pretty Peaches (মা-যু-রা, 1978)
- Reel People (মা-যু-রা, 1984)
- Resurrection of Eve (মা-যু-রা, 1973)
- Score (মা-যু-রা, 1974)
- Sensations (নিউজি, 1975)
- Spirit of Seventy Sex (মা-যু-রা, 1976)
- Taboo (মা-যু-রা, 1980)
- Talk Dirty to Me (মা-যু-রা, 1980)
- The Cheerleaders (মা-যু-রা, 1973)
- The Devil in Miss Jones (মা-যু-রা, 1973)
- The Image (মা-যু-রা, 1975)
- The Opening of Misty Beethoven (মা-যু-রা, 1976)
- The Private Afternoons of Pamela Mann (মা-যু-রা, 1974)
- The Story of Joanna (মা-যু-রা, 1975)
- Through the Looking Glass (মা-যু-রা, 1976)
আরও দেখুন
- বূগি নাইটস – ১৯৯৭-এর একটি, পর্নোগ্রাফির স্বর্ণযুগ সম্পর্কিত ধারাবিবরণী নাট্য চলচ্চিত্র
- ইনসাইড ডীপ থ্রট - ২০০৫ তথ্যচিত্র
- লাভল্যাক – ২০১২ ডীপ থ্রট চলচ্চিত্রের।অভিনেত্রী লিন্ডা লাভল্যাক সম্পর্কিত চলচ্চিত্র।
- ওরডিল – ১৯৮০ লিন্ডা লাভল্যাক কর্তৃক স্ব-জীবনী
- চলচ্চিত্রে যৌনতা
- অকৃত্রিম যৌনতা
তথ্যসূত্র
- Canby, Vincent (জুলাই ২২, ১৯৬৯)। "Movie Review – Blue Movie (1968) Screen: Andy Warhol's 'Blue Movie'"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৯, ২০১৫।
- Canby, Vincent (আগস্ট ১০, ১৯৬৯)। "Warhol's Red Hot and 'Blue' Movie. D1. Print. (behind paywall)"। New York Times। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৯, ২০১৫।
- Comenas, Gary (২০০৫)। "Blue Movie (1968)"। WarholStars.org। সংগ্রহের তারিখ ডিসেম্বর ২৯, ২০১৫।
- "Pornography"। Pornography Girl। মে ৬, ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জুলাই ১৬, ২০১৩।
The first explicitly pornographic film with a plot that received a general theatrical release in the U.S. is generally considered to be Mona (Mona the Virgin Nymph)...
- Corliss, Richard (মার্চ ২৯, ২০০৫)। "That Old Feeling: When Porno Was Chic"। Time (magazine)। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৭, ২০১৬।
- "Sex in Cinema: 1970 Greatest and Most Influential Erotic / Sexual Films and Scenes"। Film Site। পৃষ্ঠা 21। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ১৬, ২০১২।
The storyline in the film Mona was later borrowed, to some degree, by Gerard Damiano in his film Deep Throat in 1972.
- San Francisco: The Unknowao.uk/books?id=pXAsU1sQG1AC। পৃষ্ঠা 238–241। আইএসবিএন 1-55152-188-1।
- Bentley, Toni (জুন ২০১৪)। "The Legend of Henry Paris"। Playboy (magazine)। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৬, ২০১৬।
- Bentley, Toni (জুন ২০১৪)। "The Legend of Henry Paris" (PDF)। Playboy (magazine)। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ২৬, ২০১৬।
গ্রন্থপঞ্জী
- Lewis, Jon (২০০২)। Hollywood V. Hard Core: How the Struggle Over Censorship Created the Modern Film Industry। NYU Press। আইএসবিএন 0-8147-5143-1।
- McNeil, Legs, Jennifer Osborne, and Peter Pavia (2005). The Other Hollywood: Uncensored Oral History of the Porn Film Industry. Regan Books. আইএসবিএন ০-০৬-০০৯৬৫৯-৪.
- Rutledge, Leigh (1989). The Gay Fireside Companion. New York: Alyson. আইএসবিএন ১-৫৫৫৮৩-১৬৪-৮.
- Spelvin, Georgina (২০০৮)। The Devil Made Me Do It। Lulu.com। আইএসবিএন 0-615-19907-0।
- Stevenson, Jack (2000). Fleshpot: Cinema's Sexual Myth Makers & Taboo Breakers. Critical Vision. আইএসবিএন ১-৯০০৪৮৬-১২-১.
- Weitzer, Ronald John (2000). Sex for Sale: Prostitution, Pornography, and the Sex Industry. New York: Routledge. আইএসবিএন ০-৪১৫-৯২২৯৪-১.
বহিঃসংযোগ
- "That Old Feeling: When Porno Was Chic", টাইম, March 29, 2005.
- The Rialto Report: Audio, photo, and documentary archives from the golden age of adult film
টেমপ্লেট:Porn টেমপ্লেট:Sexual slang