জবাই বিল
জবাই বিল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি বৃহৎ বিল। এটি সাপাহার, পোরশা,এবং নাচোল জুড়ে বিস্তৃত।[1]
জবাই বিল | |
---|---|
অবস্থান | সাপাহার |
প্রাথমিক অন্তর্প্রবাহ | পূণর্ভবা |
অববাহিকার দেশসমূহ | বাংলাদেশ |
পৃষ্ঠতল অঞ্চল | ৯৯৭ একর, বর্ষাকককালে ৩০০০ একর |
নামকরণ
এ বিলের আসল নাম হচ্ছে ডমরইল বিল এবং মাহিল বিল যা ৪নং আইহাই ইউনিয়ানের অন্তর্গত পাহাড়ীপুকুর ব্রিজ দুটিকে পৃথক করেছে। পাহাড়ীপুকুর ব্রিজের উত্তর পার্শ্বে ডমরইল বিল এবং দক্ষিণ পার্শ্বে মাহিল বিল। জবাই বিল নামে কোন বিলের অস্তিত্ব নেই। জবাই বিল নামকরণের একটি কারণ হচ্ছে সাপাহার উপজেলার অধিকাংশ লোক জবাই গ্রামের পথ বেয়ে এই ডমরইল বিলে যেতে হয় সেই সূত্র ধরে এই বিলের নাম জবাই বলে ডাকে।
অবস্থান
সাপাহার উপজেলার আইহাই ইউনিয়ানের পাহাড়ীপুকুর, মংরইল ও মাইলডাঙ্গা গ্রামের মাঝে এই বিলের মূল কেন্দ্রবিন্দু। বিলের দক্ষিণ পার্শ্বে পাহাড়ীপুকুর, পশ্চিমে মংরইল, পূর্ব পার্শ্বে মাইলডাঙ্গা।
মৎস্য সম্পদ
এই ডমরইল বিলে ৯০ এর দশকে বিপুল পরিমানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত এবং শীতকালে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ভিড় জমাতো যা মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করত। কিন্তু কিছু অসাধু পাখি শিকারির কারণে আজ সে সকল অতিথি পাখি এখন তেমন ভাবে দেখা যায় না। এবং কিছু প্রজাতীর মাছ ও বিলুপ্ত প্রায়। বর্তমানে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ডমরইল বিলে ২ টি মাছের অভায় আশ্রম স্থাপন করা হয়েছে। সেটিকে আমরা আঞ্চলিক ভাবে বলে থাকি মাছের কাঠা। এটি উপজেলা মৎস্য অফিস নিয়ন্ত্রণ করে থাকে বর্তমানে সরকার মৎস চাষ করছে। এই ডমরইল বিলে ৯০ দশকের পূর্বে যখন বিলে হাটু পানি থাকত তখন দিন তারিখ নির্ধারণ করে বিল মাছ ধরা (বাহান) হতে। এমন কি সু বিশাল মাছের আঘাতে মানুষও মারা যেত।
তথ্যসূত্র
- "দৈনিক বগুড়া সংবাদ ( ৮ মে, ২০১৪)"। ১৯ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৪।