এ. এফ. হাসান আরিফ

এ.এফ. হাসান আরিফ একজন বাংলাদেশী আইনজীবী, বাংলাদেশের সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ফখরুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ভূমি, এবং ধর্ম মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। [1][2]

এ.এফ. হাসান আরিফ
অ্যাটর্নি জেনারেল
কাজের মেয়াদ
অক্টোবর ২০০১  ২৮ এপ্রিল ২০০৫
উত্তরসূরীএ, জে, মোহাম্মদ আলী

পেশা

এ.এফ. হাসান আরিফ অক্টোবর ২০০১ সাল থেকে ২৮ এপ্রিল ২০০৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রতারণামূলক শংসাপত্র ব্যবহার কারী বিএনপি-সমর্থক বাংলাদেশ হাইকোর্টের একজন বিচারকের লাইসেন্স প্রত্যাখ্যান করেন। তাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের আইনজীবীদের সমর্থন করতে ব্যর্থতার কারণে তিনি চার বছর দায়িত্ব পালন করে পদত্যাগ করেন। [3] তিনি জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লার আইনজীবী ছিলেন। তিনি ১৯৭০ এর দশকে এ.এফ. হাসান আরিফ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ২০০৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০৯ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইন উপদেষ্টা ছিলেন। [4][5]

তথ্যসূত্র

  1. "6 parties invited to talks with govt"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ মে ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  2. "Mirpur butcher Molla must die, says SC"bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  3. "Attorney General Hassan Ariff Resigns"wikileaks.org। Bangladesh Dhaka। ২৮ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  4. "A F Hassan Ariff Associates"hariffbd.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  5. Welle (www.dw.com), Deutsche। "সাক্ষাতকার: নব নিযুক্ত উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী | DW | 09.01.2008"DW.COM। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৮-১৭
This article is issued from Wikipedia. The text is licensed under Creative Commons - Attribution - Sharealike. Additional terms may apply for the media files.