সদাশিব শিন্দে
সদাশিব গণপতরাও সাধু শিন্দে (
![]() | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ক্রিকেট তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বোলিংয়ের ধরন | লেগব্রেক গুগলি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জাতীয় পার্শ্ব | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৩০ নভেম্বর ২০১৭ |
প্রারম্ভিক জীবন
১৯৪৩-৪৪ মৌসুমে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৫/১৮৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়ে সকলের নজর কাড়েন। মহারাষ্ট্রের পক্ষে দীর্ঘ ৭৫.৫ ওভার বোলিং করেছিলেন তিনি। ঐ খেলায় বোম্বের বিজয় মার্চেন্ট অপরাজিত ৩৫৯* রান তুলেছিলেন।
রঞ্জি ট্রফিতে মহারাষ্ট্র, বোম্বে ও বরোদরার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেছেন সদাশিব শিন্দে। প্রথম-শ্রেণীর খেলায় ২৩০ উইকেট পেয়েছেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট
১৯৪৬ সালে ভারত দলের সদস্যরূপে ইংল্যান্ড গমন করেন। ঐ সফরে তিনি ৩৯ উইকেট পেয়েছিলেন। লর্ডসে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ হয় তার। শেষ উইকেট জুটিতে রুসি মোদি’র সাথে ৪৩ রান তুলেন। তবে বল হাতে খুব কমই সফলতা পেয়েছিলেন। পরবর্তী পাঁচ বছরে আর একটিমাত্র টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন।
১৯৫১-৫২ মৌসুমে সফরকারী ইংরেজ দলের বিপক্ষে অংশ নেন। দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা মাঠে অনুষ্ঠিত টেস্টে বড় ধরনের সফলতা পান। সিরিজের প্রথম টেস্টের প্রথমদিনে মধ্যাহ্নবিরতির পর তৃতীয় পরিবর্তনে বোলিংয়ের জন্য ডাক আসে তার। গুগলিতে ডন কেনিয়নের মাঝের স্ট্যাম্প উপড়ে যায়। জ্যাক রবার্টসনকে এলবিডব্লিউ করার পর ডোনাল্ড কার লেগ ব্রেক বোলিংয়ে বিভ্রান্ত হয়ে উইকেট-রক্ষক নানা জোশি’র হাতে ধরা পড়েন। এ পর্যায়ে তার বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৮-২-১৬-৩। চা বিরতির পর আরও তিন উইকেট লাভ করলে দিন শেষ হবার পাঁচ মিনিট পূর্বে ইংল্যান্ড ২০৩ রানে গুটিয়ে যায়। ঐ ইনিংসে সিন্ধে ৬/৯১ লাভ করেন। ভারত ইনিংসে বেশ এগিয়ে যায়। তবে শিন্দের বোলিংয়ে সাতবার সুযোগ হাতছাড়া হয়।[1] অধিকাংশই জোশি ও অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা দত্তরাও গায়কোয়াড় ফেলে দেন। ফলশ্রুতিতে ইংল্যান্ড দল খেলা রক্ষা করতে সমর্থ হয়। সিন্ধে রান আউটের শিকার হন।
১৯৫২ সালে ইংল্যান্ড সফরে যান। সুভাষ গুপ্তের দূর্বল বোলিংশৈলীই মূলতঃ তার অন্তর্ভূক্তির কারণ ছিল। সফরে ৩৯ উইকেট লাভ করেন। লিডসের হেডিংলি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে পিটার মে’র উইকেটই তার সর্বশেষ শিকার ছিল।
অর্জনসমূহ
কমপক্ষে দশ ইনিংসে অংশগ্রহণকারী মাত্র দুইজন টেস্ট ক্রিকেটারের একজনরূপে নিজস্ব সর্বোচ্চ রানের তুলনায় ব্যাটিং গড়ে অতিক্রম করতে সমর্থ হন তিনি। অন্যজন হচ্ছেন পাকিস্তানী সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার অন্তাও ডি’সুজা।[2]
ব্যক্তিগত জীবন
ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন তিনি। কন্যা প্রতিভা পওয়ার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও বিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি শরদ পওয়ারের পত্নী।
মাত্র ৩২ বছর বয়সে টাইফয়েড রোগে আক্রান্ত হয়ে তার দেহাবসান ঘটে।[3]
তথ্যসূত্র
- Sujit Mukherjee, Playing for India, Orient Longman, 1988, pp. 217-219
- Frindall, Bill (২০০৯)। Ask Bearders। BBC Books। পৃষ্ঠা 91–92। আইএসবিএন 978-1-84607-880-4।
- Christopher Martin-Jenkins, The Complete Who's Who of Test Cricketers
বহিঃসংযোগ
- ইএসপিএনক্রিকইনফোতে সদাশিব শিন্দে
(ইংরেজি)
- ক্রিকেটআর্কাইভে সদাশিব শিন্দে
(সদস্যতা প্রয়োজনীয়) (ইংরেজি)