বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
বান্দরবান কারিগর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বান্দরবান জেলার মেঘলায় অবস্থিত।
বান্দরবন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র | |
---|---|
![]() বান্দরবান কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সম্মুখ অংশ (ছবি:user:মোহাম্মদ রায়হান কবির এবং user:মোহাম্মদ রাইছান ইসলাম রাশেদ) | |
অবস্থান | |
মেঘলা,বান্দরবান চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ | |
তথ্য | |
ধরন | প্রশিক্ষণ কেন্দ্র |
প্রতিষ্ঠাকাল | ১৯৯৯ ইংরেজি |
অবস্থা | সক্রিয় |
বিদ্যালয় বোর্ড | মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড,চট্টগ্রাম |
সেশন | জানুয়ারি-ডিসেম্বর |
অনুষদ |
|
শ্রেণী | ৯ম-১০ম |
লিঙ্গ | বালক-বালিকা |
শিক্ষার্থী সংখ্যা | ৬০০+ |
শিক্ষাদানের মাধ্যম | জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড |
ভাষার মাধ্যম | বাংলা এবং ইংরেজি |
ওয়েবসাইট | http://bttc.bandarban.gov.bd/ |
প্রতিষ্ঠাকাল
বান্দরবান কারিগর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ১৯৯৯ সালে স্থপিত হয়।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য
অত্র প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য: দেশের বেকার যুব সমাজকে মানব সম্পদে রুপান্তর করার লক্ষ্যে (১) ইলেকট্রিক্যাল, (২) রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং, (৩) ডিজেল/অটো মেকানিক্স, (৪) কম্পিউটার অপারেশন, (৫) গার্মেন্টস, (৬) ইলেকট্রনিক্স ট্রেড চালুকরণের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির / প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য “দেশের পুরাতন ১১টি জেলায় ১১টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ঢাকায় মহিলাদের জন্য ১টি মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের অধীন অত্র কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা চালু করেছে. ইহার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরুপ:
নতুন স্থাপিত শিল্প কারখানার চাহিদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদানপূর্বক বেকারদের কর্মপযোগী করা দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে চাকুরীর সুযোগ সৃষ্টি করা দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বেকার যুব সম্প্রদায়কে আত্ম-কর্মসংস্থান সহায়তা করা ব্যাপক জনগোষ্ঠিকে প্রশিক্ষিত জনসম্পদে পরিনত করা শিল্প কারখানায় দক্ষ জনশক্তি সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা অপেক্ষাকৃত কম সময়ে স্বল্প মেধা সম্বলিত জনগোষ্ঠিকে কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা সাধারণ শিক্ষা অপেক্ষা বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অধিক বিধায় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের প্রসার ঘটানো
ইতিহাস
শিক্ষকমন্ডলী ও ছাত্রছাত্রীগণ
এই স্কুলে প্রায় ৫০০ জন ছাত্রছাত্রী এবং ২৯ জন শিক্ষকশিক্ষিকা রয়েছে।
ফলাফল
অধ্যক্ষ হিসাবে গৃহীত কার্যক্রমের সফলতা সমূহঃ ক্লাস মনিটরিং যথাসময়ে শ্রেণী কক্ষে শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করন ও সর্বপরি শিক্ষক ছাত্র-ছত্রীদের মধ্যে সৌহাদ্য পূর্ন সর্ম্পক তৈরীর মাধ্যমে পাশের হার ৯৮% এ উন্নীত হয়েছে। এস.এস.সি (ভোক) বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষায় কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার ফলাফল দিন দিন উন্নতি লাভ করছে।