চাদর ট্রেক

 চাদর ট্রেক বা জাংস্কার  গিরিসঙ্কট ভারতীয় রাজ্য জম্মু ও কাশ্মীরের জান্সকার অঞ্চলের লাদাখের একটি শীতকালীন-পথ এই পথের দুই ধারের প্রাচীরগুলি প্রায় ৬০০ মিটার উচ্চ উল্লম্ব খাড়া পাহাড় এবং কোথাও কোথাও জাংস্কার নদী ( সিন্ধুর উপনদী)  মাত্র ৫ মিটার প্রশস্ত।  শীতকালে জাংস্কার উপত্যকায় পৌছবার একমাত্র পথ, জমে যাওয়া জাংস্কার নদী প্রদান করে। স্থানীয়রা এবং পর্যটকরা শীতকালে এই জমে যাওয়া বরফের রাস্তাটি ব্যবহার করেন, যেটি চাদর ট্রেক নামে বিখ্যাত।[1][2]  স্থানীয় অধিবাসী মানুষ শতাব্দী ধরে এই পথে যাতায়াত করে বাণিজ্য করেছেন। [3] 

চাদরের রোমাঞ্চ

জাংস্কার  সিন্ধু নদীর উপনদী

ট্রেক সম্বন্ধিত: চাদর ট্রেক ভারতের একটি  দু: সাহসিক ট্রেক . স্থানীয় ভাষায় "চাদর" মানে বরফের আস্তরন যেটি নদীকে প্রায় পুরোটা আবরিত করে রাখে তাকে ইঙ্গিত করে। বরফে ঢাকা  জাংস্কার নদীর ওপর পথ চলাকেই মূলত চাদর ট্রেক বলা হয়। [3] গরমের সময় এই নদীীতে  উত্সাহী পর্যটকরা রাফটিং করেন, যেটি  শীতকালে, একটি বরফেের চাদরেে রূপান্তরিত  হয় যেখানে বিখ্যাত চাদর ট্রেক সঞ্চালিত হয়.[4][5]

অনেক বছর ধরে চাদর ট্রেক সারা বিশ্ব থেকে পর্যটকদের আকৃষ্ট করেছে। এটা সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং প্রতিস্পর্ধাযুক্ত ট্রেকিং যার মোট দূরত্ব প্রায় ১০৫কিমি (পায়ে হেঁটে), গড়ে প্রতিটি দিন  ১৫-১৭ কিমি দূরত্ব বরফের ওপর, কখনো পাহাড়ের ধার ধরে ট্রেক করতে হয়। চাদর ট্রেকের উপযুক্ত সময়, জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি,[3] যখন তাপমাত্রা, কখনও কখনও, -৩০ থেকে -৩৫ ডিগ্রীতে নামে , যাতে জাংস্কার নদী, একটি মনোরম ক্রীস্টাল হ্রদের মত দেখায়।.[4][5]

চাদর বরাবর নির্মীয়মান রাস্তা :  লেহ এবং জাংস্কারের মধ্যে সারাবছর যোগাযোগ রাখার জন্য  বর্তমানে, একটি রাস্তা নির্মাণাধীন আছে এবং আশা করা হচ্ছে সম্পূর্ণ করতে কয়েক বছর লাগবে।  দীর্ঘকাল ধরে এই রাস্তাটি স্থানীয়দের দাবি ছিল এবং রাস্তাটি হলে তাদের জীবন অনেক সহজ হবে, বিশেষভাবে শীতকালে চিকিৎসা ইত্যাদী জরুরী প্রয়োজনে। রাস্তা নির্মাণ হলে স্থানীয় বন্যপ্রাণী, মূলত  অধরা তুষার চিতাবাঘের জীবন বিঘ্নিত হবে।শীতকালে, তুষার চিতার যাতায়াতের রাস্তা  ছিল এটি , কিন্তু এখন তাদের আরো  উচ্চ উপত্যকায় বসবাস শুরু করতে হবে। একবার রাস্তা শুরু হলে, নদীপথ ধরে চাদরে চলার একটি ঐতিহ্যগত সংস্কৃতি শেষ হয়ে যাবে[6][7]

চিত্রশালা

 

তথ্যসূত্র

This article is issued from Wikipedia. The text is licensed under Creative Commons - Attribution - Sharealike. Additional terms may apply for the media files.