কাঠমান্ডু উপত্যকা

কাঠমন্ডু ভ্যালি (নেপালি: काठमाडौं उपत्यका, Nepalbhasa:स्वनिगः, नेपाः गाः), হলো নেপালে অবস্থিত এমন এক স্থান যেখানে এশিয়ার প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায় ৷ এখানে প্রায় ১৩০ টি ভাষ্কর্য আছে ও হিন্দু ও বৌদ্ধের বহু ধর্মীয় নিদর্শন আছে ৷ এই ভ্যালিতেই সাতটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট রয়েছে ৷[1]

ঐতিহাসিকদের মতে, এই ভ্যালি ও তার আশপাশের স্থানগুলো নিয়ে একত্রে নেপাল মন্ডল গঠিত হয় ৷ পনের শতকের আগ পর্যন্ত ভক্তপুর এটার রাজধানী ছিল ৷ এরপর কাঠমন্ডু ও পাঠান নামে দুটি আলাদা রাজধানী গঠিত হয় ৷[2] গোর্খা রাজাদের দ্বারা ভ্যালিটি দখল হওয়ার পর পুনরায় ভ্যালিটিকে গোর্খা রাজত্বের রাজধানী ঘোষণা করা হয় ৷ এই শাসনামলে স্থানটির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয় ৷

কাঠমন্ডু ভ্যালি নেপালে অন্যতম উন্নত ও জনবসতিপূর্ণ স্থান ৷ স্থানটিতে বিভিন্ন অফিস ও সদরদপ্তর অবস্থিত ৷ এটি নেপালের অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি লাভ করছে ৷ ভ্রমণপিপাসুদের কাছে খুবই জনপ্রিয় স্থান কাঠমন্ডু ভ্যালি ৷ অনন্য স্থাপত্য, দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ ও সংস্কৃতি সকলকে মুগ্ধ করে ৷

২০১৫ সালে ভূমিকম্পে ভ্যালিটি ক্ষতিগ্রস্থ হয় ৷ [3] ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয় ও বহু ভবন ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ৷

নামকরণ

দরবার স্কয়ার যার সংস্কৃত ভাষায় বলা হয় কাষ্ঠ মন্ডপ্ এর নামানুসারে কাঠমন্ডু শহরের নামকরণ করা হয় ৷ ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে এটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৷ এখানের একটি অনন্য মন্দির মারু সাত্তল ৷ মন্দিরটি ১৫৯৬ সালে রাজা লক্ষ্মীনারায়ণ সিংহ মাল্লা নির্মাণ করেন। পুরো স্থাপনার ভেতরে কোনো লোহার ভিত্তি এমনকি লোহার টুকরারও ব্যবহার নেই। সম্পূর্ণ মন্দিরটা কাঠের তৈরী।প্রচলিত আছে যে দ্বিতলবিশিষ্ট প্যগোডাটি ১টি গাছের গুড়ি দিয়ে তৈরী হয়েছিল।

তথ্যসুত্র

  1. http://whc.unesco.org/en/list/121
  2. Slusser, Mary (1982). Nepal Mandala: A Cultural Study of the Kathmandu Valley. Princeton University. আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬৯১-০৩১২৮-৬. Page vii.
  3. "Nepal Disaster Risk Reduction Portal"। Government of Nepal। সংগ্রহের তারিখ ৫ মে ২০১৫

বহিঃসংযোগ

টেমপ্লেট:Kathmandu District

This article is issued from Wikipedia. The text is licensed under Creative Commons - Attribution - Sharealike. Additional terms may apply for the media files.