এম জাহিদ হাসান
এম জাহিদ হাসান একজন বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।
এম জাহিদ হাসান | |
---|---|
জন্ম | এম জাহিদ হাসান |
কর্মক্ষেত্র | পদার্থবিজ্ঞান |
প্রতিষ্ঠান | প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় |
প্রাক্তন ছাত্র | ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন (ব্যাচেলর অব সায়েন্স), স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (পিএইচডি)[1][2][3] |
পরিচিতির কারণ | টপলোজিক্যাল ইনসুলেটর/স্থানিক অন্তরক, ভাইল ফার্মিয়ন |
জীবনী
অ্যাডভোকেট রহমত আলী ও গৃহিণী নাদিরা বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে জাহিদ সবার বড়। ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে এসএসসিতে সম্মিলিত মেধাতালিকায় দ্বিতীয় ও ঢাকা কলেজ থেকে ১৯৮৮ সালে এইচএসসিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন জাহিদ।
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন ভাইনভার্গের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ নিতে জাহিদ ভর্তি হলেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে পদার্থবিজ্ঞান থেকে স্নাতক হয়ে পরে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করেন। পিএইচডি করার সময় জাহিদ বের করেন কঠিন বস্তুর মধ্যে ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যা বের করার কৌশল। এই সময় তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে পড়ানোর আমন্ত্রণ পান।
‘আমি একটা বক্তৃতা দিতে গিয়েছি প্রিন্সটনে। বক্তৃতা শেষেই তারা আমাকে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। কোনো জীবনবৃত্তান্তও তৈরি ছিল না। পিএইচডিও শেষ হয়নি।’ আরাধ্য স্বপ্ন ধরা দেওয়ার কথা বলছিলেন জাহিদ। এরই মধ্যে প্রায় ২০ জন শিক্ষার্থী তাঁর তত্ত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন।[1][2][3]
তথ্যসূত্র
- http://www.prothomalo.com/we-are/article/261874/নতুন-যুগের-ইলেকট্রনিকস নতুন যুগের ইলেকট্রনিকস
- http://www.prothomalo.com/we-are/article/581320/৮৫-বছর-পর-অধরা-কণার-খোঁজ ৮৫ বছর পর অধরা কণার খোঁজ
- http://www.prothomalo.com/we-are/article/590899/পরিবর্তনের-পথিক পরিবর্তনের পথিক
বহিঃসংযোগ
- BANGLADESH'S ZAHID HASAN
- Bangladeshi physicist leads discovery of massless particle with promise for next-gen electronics
- Time for faster devices : Discoverer of wonder particle sees weyltronics replace electronics
- Revolutionising electronics : Bangladeshi scientist makes waves with his ground-breaking discovery