আব্দুল্লাহ আল কাফি
আব্দুল্লাহ আল কাফী (জন্ম: ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ - মৃত্যু: ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৫) ছিলেন একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ২০০১ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত (তার মৃত্যু পর্যন্ত) দিনাজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।[1]
আব্দুল্লাহ আল কাফী MP | |
---|---|
![]() | |
জাতীয় সংসদ সদস্য দিনাজপুর-১ | |
কাজের মেয়াদ 10 October 2001 – 12 September 2005 | |
রাষ্ট্রপতি | Iajuddin Ahmed |
প্রধানমন্ত্রী | Khaleda Zia |
পূর্বসূরী | Abdur Rauf Chowdhury |
উত্তরসূরী | Monoranjan Shil Gopal |
সংসদীয় এলাকা | দিনাজপুর-১ |
সংখ্যাগরিষ্ঠ | 88,669 (45%) |
Member of The Standing Committee on Land Ministry | |
কাজের মেয়াদ 10 October 2001 – 12 September 2005 | |
রাষ্ট্রপতি | Badruddoza Chowdhury Iajuddin Ahmed |
ব্যক্তিগত বিবরণ | |
জন্ম | Nowpara, Birganj Thana, Dinajpur, Bengal Presidency, British Raj (now Bangladesh) | ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫
মৃত্যু | ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৫ ৬০) Dhaka, Bangladesh | (বয়স
সমাধিস্থল | Nowpara, Birganj Upazila, Dinajpur, Bangladesh |
জাতীয়তা | British Indian (1945–1947) Pakistani (1947–1971) Bangladeshi (1971–2005) |
রাজনৈতিক দল | Jamaat-e-Islami Bangladesh |
অন্যান্য রাজনৈতিক দল | Four Party Alliance (2001–2005) |
দাম্পত্য সঙ্গী | Jebun Nesa Al Kafi (বি. ১৯৬৮) |
সম্পর্ক | Minister Abdur Rauf Chowdhury MP (Uncle) Khalid Mahmud Chowdhury MP (Cousin) |
সন্তান | 6 |
প্রাক্তন শিক্ষার্থী | University of Rajshahi (BA) (MA) |
পেশা | Politician |
জীবিকা | Educator (Associate Professor) |
কমিটি | Member of The Standing Committee on Land Ministry |
প্রাথমিক জীবন
আব্দুল্লাহ আল কাফী ১৯৪৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছিলেন।
শিক্ষকতা পেশা
কাফী ১৯৭৪ সালের ১৬ জানুয়ারি বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে (বর্তমান বীরগঞ্জ সরকারী কলেজ) প্রভাষক হিসাবে তার শিক্ষকতা পেশা শুরু করেছিলেন। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে সহকারী অধ্যাপক এবং পরে সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৯৭২ সালের ৩ জুলাই বীরগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দোক্তা ছিলেন।
রাজনৈতিক জীবন
কাফী যখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, তখন থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে জড়িত হয়েছিলেন। তিনি ১৯৬৮ সালে তৎকালীন জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তানে যোগদেন এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়া পর ১৯৭২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাজনৈতিক কারনে গ্রেফতার হন। পরে ১৯৭৩ সালের ৭ ডিসেম্বর তিনি জেল থেকে মুক্তি পান এবং সরকার তার উপর থেকে সকল চার্জ তুলে নেয়। ১৯৮৯ সালের অক্টোবরে তিনি জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য হন এবং ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি ঐ দায়িত্ব পালন করেন। কাফী ২০০১ সাধারণ নির্বাচনে চার দলীয় জোটের ব্যানারে ও জামায়াতের প্রার্থী হয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[2]
তথ্যসূত্র
- "৮ম জাতীয় সংসদ সদস্যের তালিকা" (PDF)। www.parliament.gov.bd। জাতীয় সংসদ। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৮।
- "২০০১ সালে জামায়াতের নির্বাচিত এমপি ছিলেন যারা"। www.jamaat-e-islami.org। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৮।