আব্দুল লতিফ (রাজনীতিবিদ)
এডভোকেট আবদুল লতিফ বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযোদ্ধা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।[1][2]
এডভোকেট আবদুল লতিফ | |
---|---|
![]() | |
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য | |
কাজের মেয়াদ জুন ১৯৯৬ – ২০০১ | |
পূর্বসূরী | মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান |
উত্তরসূরী | কাজী মো. আনোয়ার হোসেন |
ব্যক্তিগত বিবরণ | |
জন্ম | ১৯৫১ ধরাভাংগা গ্রামে, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) |
মৃত্যু | ১৭ নভেম্বর ২০০২ ব্রাহ্মণবাড়িয়া |
নাগরিকত্ব | ![]() ![]() |
রাজনৈতিক দল | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
পেশা | রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও আইনজীবী |
জন্ম ও প্রাথমিক জীবন
বীর মুক্তিযুদ্ধা এডভোকেট আবদুল লতিফ ১৯৫১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমানে বাংলাদেশ) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ধরাভাংগা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৬ সালে রাঙ্গামাটি থেকে মেট্রিক পাশ করেন। এর পর ব্রাহ্মণবাড়ীয়া সরকারী কলেজ থেকে আই,এ ও বি,এ পাশ করেন।
রাজনৈতিক ও কর্মজীবন
১৯৭০ সালে তিনি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলা বিএফএলের সহঅধিনায়ক ছিলেন। ১৯৭৯ সালে তিনি এডভোকেটশীপ সনদ পেলেও আইন পেশায় না গিয়ে সার্বক্ষণিক রাজনীতি নিয়ে সময় কাটিয়েছেন। ১৯৯১ সালে তিনি নবীনগর উপজেলা আওয়ামমীলীগের সাধারন সম্পাদক ও ১৯৯৭ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কাজী মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন[1][2]
মৃত্যু
এডভোকেট আবদুল লতিফ ১৭ নভেম্বর ২০০২ সালে মারা যান।
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
- "৭ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)। জাতীয় সংসদ। বাংলাদেশ সরকার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা।
- "আবদুল লতিফ"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২২।